বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া এলাকায় জোরপূর্বক জমি দখল ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেসমিন বেগম মোংলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, হলদিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা জেসমিন বেগম তার বৈধভাবে ক্রয়কৃত ১৩ শতক জমি প্রায় দুই বছর ধরে প্রতিপক্ষের দখলে রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে একই এলাকার জাহানুর বেগম, হাসিনা বেগমসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, জমির মালিকানা সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে একাধিকবার সালিশের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযুক্তরা কোনো সমঝোতায় আসেননি। বরং প্রভাব খাটিয়ে জমিটি নিজেদের দখলে রেখে দেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জমির কাছে গেলে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সর্বশেষ গত ২৫ মার্চ রাতে অভিযুক্তরা তার দলিলকৃত জমিতে নির্মিত বসতঘর ভাঙচুর করে দেয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, জমির ন্যায্য দাবি নিয়ে গেলে তার ওপর হামলা বা গুরুতর সহিংসতার ঘটনা ঘটতে পারে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কাজী ফজলু, পার্থ রায় ও মিঠু মন্ডলসহ একাধিক ব্যক্তি এ ঘটনার সাক্ষী রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট জমির তফশিল অনুযায়ী, মোংলা উপজেলার জেএল-১৪ নম্বর হলদিবুনিয়া মৌজার বিআরএস ২ হাজার ২২৫ খতিয়ানের ৬৯৬ নম্বর দাগে উক্ত ১৩ শতক জমি অবস্থিত।
ভুক্তভোগী জেসমিন বেগম বলেন, “আমি একজন অসহায় নারী। আমার কষ্টার্জিত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে রাখা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, ‘‘লিখিত অভিযোগটি নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
কেকে/এসএ