মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৬ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
গঙ্গাচড়ায় সড়কের ইট উত্তোলন ও নিলাম প্রক্রিয়া ঘিরে উত্তেজনা
গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মন্থনা হাটের পূর্ব দিকের সড়কের পুরাতন ইট উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা মূলত ভুল বোঝাবুঝির ফল বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ইট উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় হাট এলাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।

জানা গেছে, সরকারি নিয়ম মেনেই ইটগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী উত্তোলন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলজিইডির আওতাধীন সড়কটি সংস্কারের অংশ হিসেবে পুরাতন ইট অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত বছরের ১২ অক্টোবর উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী সরেজমিনে গিয়ে ইটের পরিমাণ নির্ধারণ করেন। পরদিন উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে প্রাক্কলন তৈরি করে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে নিলামের মতামত দেওয়া হয়।

পরবর্তী নিলামে মোট ১১ জন দরদাতা অংশগ্রহণ করেন। এতে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ঠিকাদার মো. রাসেদুজ্জামান রাসেল নির্বাচিত হন। তিনি সোনালী ব্যাংক গঙ্গাচড়া শাখায় ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা জমা দেওয়ার পাশাপাশি ভ্যাটসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও পরিশোধ করেন।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঠিকাদার তার শ্রমিকদের মাধ্যমে ইট উত্তোলন শুরু করলে স্থানীয় দোকান মালিক সমিতি ও কিছু এলাকাবাসী এতে আপত্তি জানান। 

তাদের দাবি, পুরাতন ইটগুলো স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা বা সামাজিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা উচিত। 

এ নিয়ে হাট এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে ইট উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সাময়িকভাবে ইট উত্তোলন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সামছুল হুদা বলেন, ‘সরকারি বিধি মেনেই নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগতভাবে কারও কিছু করার সুযোগ নেই। কিছু ব্যক্তি ভুল তথ্য ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেছে।’

নিলামপ্রাপ্ত ঠিকাদার রাসেদুজ্জামান রাসেল বলেন, ‘আমি বৈধভাবে নিলামের মাধ্যমে ইট কিনেছি এবং ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছি। এরপরও যদি আমাকে কেউ ইট নিতে বাধা দেয়, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, ‘সড়কটি যেহেতু এলজিইডির আওতাধীন, তাই ইটের মূল্য নির্ধারণসহ সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো তারাই তদারকি করে থাকে। ইউনিয়ন পরিষদ এলজিইডির অনুমতি নিয়ে দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে ইট বিক্রির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে। ইতোমধ্যে যিনি দরপত্রের মাধ্যমে ইট কিনেছেন, তিনি ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার চালান আমাকে দেখিয়েছেন। দরপত্র প্রক্রিয়াটি সঠিক নিয়মে হয়ে থাকলে, আমি এলজিইডির প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলব।’

স্থানীয়রা বলছেন, ‘দ্রুত প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।’

কেকে/এমএ 


আরও সংবাদ   বিষয়:  গঙ্গাচড়া   সড়কের ইট উত্তোলন   নিলাম প্রক্রিয়া  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close