সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬,
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ      ঢাবিতে ভর্তি আবেদন ১১ নভেম্বর থেকে, পরীক্ষা শুরু ৫ ডিসেম্বর      সব বেসরকারি দাখিল-আলিম মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল      ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৭০ টাকা      ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু      দুবাইয়ের জেল থেকে মুক্তি পেলেন বেনজীর      ঢাকার চারপাশের নৌ-পথ সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর      
দেশজুড়ে
ড্রেনেজ ব্যবস্থার অচলাবস্থা
গৌরনদীতে বৃষ্টি হলেই পানিতে ডুবে টরকী বন্দর
মোল্লা ফারুক হাসান, গৌরনদী (বরিশাল)
প্রকাশ: রোববার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

আর কয়েক দিন পরই শুরু হবে বর্ষা মৌসুম। একটু বৃষ্টি হলেই বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ড টরকী বন্দরের হাট-বাজার, বাসা-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট বৃষ্টির পানিতে ডুবে যায়। যার ফলে অফিস-আদালত, বাসা-বাড়িসহ হাট-বাজারে আসা ক্রেতা সাধারণসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে।

এই বন্দরে রয়েছে প্রায় ১৫টি ব্যাংক, দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একাধিক, মাদ্রাসা ও  মসজিদ-মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়। বন্দরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলেও তা কোনো কাজে আসছে না। বেশিরভাগ ড্রেন বন্দরের ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে। তাই বৃষ্টি হলে পানি নামতে না পারায় বন্দরের রাস্তা-ঘাট ও বাসা-বাড়ি পানিতে ডুবে যায়। ভারী বৃষ্টির আগেই রাস্তা-ঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।

টরকী বন্দর ছাগল হাটের বাসিন্দা মো. ফাহাদ মিয়া বলেন, ‘টরকী বন্দরের যে ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে, বৃষ্টি হলে ভালো ভাবে পানি নিষ্কাশন হয় না। ড্রেন ছোট হওয়ায় পানি দ্রুত নামতে পারে না। এছাড়া আমাদের বাসার সামনে থেকে টরকী বন্দর বড় ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ড্রেন ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে। ছোট-বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় বৃষ্টির পানি জমে থাকলে তা বোঝা যায় না। ফলে অনেক সময় গর্তে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে। আমার মনে হয়, জলাবদ্ধতার মূল কারণ ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা।’

বন্দরের চাল ব্যবসায়ী মো. কাশেম ঘরামী বলেন, ‘একটু বৃষ্টি হলেই আমাদের চাল লোড-আনলোড করতে সমস্যা হয়। এছাড়া বন্দরের বেচাকেনা কমে যায়। ব্যবসায়ীদের কাজে ব্যাঘাত ঘটে। অনেক ক্রেতা বাজারে না এসে পাশ্ববর্তী বাজারে চলে যায়। সঠিকভাবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না করলে রাস্তা-ঘাটসহ পুরো বন্দরই পানিতে ডুবে যায়। আমাদের দাবি, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও বন্দরের রাস্তা দ্রুত সংস্কার করা হোক।’

টরকী বন্দর বণিক সমিতির সভাপতি শরীফ শাহাবুব হাসান বলেন, ‘আমাদের এ সমস্যা দীর্ঘদিনের। শুনেছি খুব শিগগিরই ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজে হাত দেওয়া হবে। তবে কবে হবে তা নিশ্চিত নই। বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেই কাজ শেষ হলে ব্যবসায়ীরা স্বস্তিতে ব্যবসা করতে পারবে। এছাড়া বন্দরের অধিকাংশ রাস্তা ভাঙাচোরা। বৃষ্টি হলে লুঙ্গি পরে চলাচল করতে হয়।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন, ‘আমরা ঠিকাদারদের বারবার তাগিদ দিচ্ছি, যাতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিকভাবে কাজ করে এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হয়। যদি তারা কাজ না করে, তাহলে তাদের ঠিকাদারি লাইসেন্স বাতিল করা হবে। বিষয়টি মন্ত্রী মহোদয়ের কাছেও জানানো হয়েছে।’

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close