সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      
খোলাকাগজ স্পেশাল
জ্বালানি সংকট সমাধানে অর্থের সন্ধানে সরকার
শিপার মাহমুদ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৭ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

জ্বালানি তেলের সংকট দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। এ সংকটে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না কোনো নিশ্চয়তা। ফলে প্রতিদিন অপচয় হচ্ছে শত শত কর্মঘণ্টা, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এবং স্থবির হয়ে পড়ছে নগরজীবনের গতি।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি পেট্রোল পাম্পে বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। কেউ আগের রাত থেকে, কেউ ভোর থেকে, আবার কেউ সকালে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। তবুও তেল পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না। আবার কোথাও চাহিদা মতো তেল না পেয়ে পাম্প কর্মচারীদের মারধরসহ ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। এ ছাড়া সরকার জ্বালানি তেলে প্রতিদিন ভর্তুকি দিচ্ছে ১৬৭ কোটি টাকা।  

এদিকে ইরান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বর্তমানে যে সংকট চলছে তা মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরার পাশাপাশি কোনো দেশ যে একা তার সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হবে না সে বিষয়টিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

গতকাল বুধবার দুপুরে ‘এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিট’ এ অংশ নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘সবেচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তা দেওয়া অবশ্যই আমাদের সম্মিলিত অগ্রাধিকারের শীর্ষে থাকা উচিত। এই দৃষ্টিকোণ থেকে, তাৎক্ষণিক জ্বালানি চাহিদা পূরণে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার রক্ষায় বাংলাদেশ উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর কাছ থেকে ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা সংগ্রহের চেষ্টা করছে। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ আহ্বায়নে দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’

গতকাল দুপুর ১২টায় সংসদ ভবনে তার কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার তথ্য দিয়েছেন তার প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ। তিনি বলেন, ‘এই সামিটে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছে। বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেছেন।’

সরকারপ্রধান বলেছেন, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে সব দেশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না কোনো দেশ। এজন্য প্রয়োজন সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগ। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।’

বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ইতোমধ্যে কিছু স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি অফিস ও কেনাকাটার সময় কমানো, জরুরিভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি, বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।’ 

বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ সংকটের ব্যাপ্তি ও পরিণতি ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। যা আশির দশকজুড়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থবির করে দিয়েছিল।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য কমাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সংকট কষ্টার্জিত সেই অর্জনকে হুমকির মুখে ফেলছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, অনেক দেশই ঝুঁকির মুখে। এ সমস্যা সমাধানে বৈশ্বিক সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি।’

এরকম পরিস্থিতিতে এমন একটি সম্মেলনের আয়োজন করার জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে অংশ নেন ভারত, শ্রীলংকা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তিমুর-লেস্তে, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়ার সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

জলাবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং এশীয় অঞ্চলে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এজেডইসি অনলাইন সামিট আয়োজন করা হয়। অনলাইন এ সামিটে অংশ নেওয়ার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। 

ইরান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বর্তমানে যে সংকট চলছে তা মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরার পাশাপাশি কোনো দেশ যে একা তার সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হবে না সে বিষয়টিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

গতকাল বুধবার দুপুরে ‘এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিট’ এ অংশ নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘সবেচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তা দেওয়া অবশ্যই আমাদের সম্মিলিত অগ্রাধিকারের শীর্ষে থাকা উচিত। এ দৃষ্টিকোণ থেকে, তাৎক্ষণিক জ্বালানি চাহিদা পূরণে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার রক্ষায় বাংলাদেশ উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর কাছ থেকে ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা সংগ্রহের চেষ্টা করছে। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ আহ্বায়নে দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’

গতকাল দুপুর ১২টায় সংসদ ভবনে তার কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার তথ্য দিয়েছেন তার প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ। তিনি বলেন, ‘এই সামিটে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছে। বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেছেন।’

সরকারপ্রধান বলেছেন, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে সব দেশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না কোনো দেশ। এজন্য প্রয়োজন সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগ। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।’

বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ইতোমধ্যে কিছু স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি অফিস ও কেনাকাটার সময় কমানো, জরুরিভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি, বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।’ 

বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ সংকটের ব্যাপ্তি ও পরিণতি ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। যা আশির দশকজুড়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থবির করে দিয়েছিল।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য কমাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সংকট কষ্টার্জিত সেই অর্জনকে হুমকির মুখে ফেলছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, অনেক দেশই ঝুঁকির মুখে। এ সমস্যা সমাধানে বৈশ্বিক সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি।’

এরকম পরিস্থিতিতে এমন একটি সম্মেলনের আয়োজন করার জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে অংশ নেন ভারত, শ্রীলংকা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তিমুর-লেস্তে, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়ার সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

জলাবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং এশীয় অঞ্চলে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এজেডইসি অনলাইন সামিট আয়োজন করা হয়। অনলাইন এই সামিটে অংশ নেওয়ার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  জ্বালানি সংকট   অর্থের সন্ধান   সরকার  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close