মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      চীন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
রাজনীতি
গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চা গুরুত্বপূর্ণ: রিজভী
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৩ এএম
অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী

অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের নিজস্ব সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক চর্চা অব্যাহত না থাকলে জাতি তার ইতিহাস ও শেকড় হারিয়ে ফেলবে’।

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও তা টিকিয়ে রাখতে নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘আমরা যে গণতন্ত্রের জন্য ১৬-১৭ বছর লড়াই করেছি, তা প্রতিষ্ঠা করতে হলে শুদ্ধ ঈশ্বরপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ, আধ্যাত্মিক চিন্তা ও লোকজ সাহিত্যের ধারাবাহিক চর্চা বজায় রাখতে হবে। তা না হলে আমরা আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ব।’

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘আমরা যে গণতন্ত্রের জন্য ১৬-১৭ বছর লড়াই করেছি, সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চা করতে হবে। শুদ্ধ ঈশ্বরপ্রেম, মানবিক প্রেম, আধ্যাত্মিকতার ভাবনা ও লোকজ সাহিত্যের ধারাবাহিক অনুশীলন না থাকলে আমরা আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ভুলে যাব।’

তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের অন্যতম নিজস্ব উৎসব এবং এর গুরুত্ব অপরিসীম। আগে এটি মূলত গ্রামীণ উৎসব হিসেবে পালিত হলেও বর্তমানে শহর ছাড়িয়ে গ্রামেও এর বিস্তৃতি ঘটছে। একসময় হালখাতার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন করতেন এবং বৃহত্তর জনগোষ্ঠী বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী জীবনযাপন করত। কিন্তু বর্তমানে নতুন প্রজন্ম বাংলা সাল ও পঞ্জিকার সঙ্গে ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।’

‘অনেক ছেলে-মেয়েই বলতে পারবে না বাংলা সাল কত। ইংরেজি স্কুলে বাংলা পঞ্জিকা শেখানো হয় কি না, সেটিও প্রশ্নের বিষয়। এভাবে ভুলতে ভুলতে আমরা অনেক দিক থেকে হারিয়ে যাব।’

সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার উদাহরণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো নিজেদের মৌলিক বর্ণমালা হারিয়ে রোমান লিপি ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, ‘এটা সংস্কৃতির বড় দুর্লক্ষণ। আমরা বহু প্রতিকূলতার পরও নিজেদের লিপি ধরে রাখতে পেরেছি। দেশের নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধর্মবিরোধী হিসেবে দেখার প্রবণতা ঠিক নয়। ইসলামী ঐতিহ্য ও লোকজ ধারা মিলেই এ অঞ্চলের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। ইউসুফ-জুলেখা, লাইলি-মজনু, রামায়ণভিত্তিক কাহিনি, গম্ভীরা, কবিগান, জারি-সারি, যাত্রাপালা— সব মিলিয়ে এ দেশের অভিন্ন সংস্কৃতির ভিত্তি তৈরি হয়েছে।’

বিএনপির এ সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘যাত্রাপালা, পালাগানসহ বিভিন্ন পরিবেশন শিল্প একসময় মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্বাধিকারের চেতনা এসব শিল্পমাধ্যমের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।’

কেকে/এলএ



আরও সংবাদ   বিষয়:  গণতন্ত্র   সংস্কৃতি   রিজভী  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

রাজনীতি- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close