সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী      
খোলাকাগজ স্পেশাল
থামছেই না হামের ভয়াবহ প্রকোপ
শরীফ আহমেদ ইমন
প্রকাশ: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৬ এএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এর অস্বাভাবিক বিস্তারে। হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) বলছে, দেশের ৬১টি জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়েছে। হামে আক্রান্ত শিশুদের ৮৩ শতাংশের বয়স পাঁচ বছরের নিচে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ধারণা, হামের প্রাদুর্ভাব আরও এক থেকে দেড় মাস স্থায়ী হতে পারে। তারা বলেছে, ইতোমধ্যে বেশি সংক্রমণ এমন এলাকাগুলোয় (হটস্পট) টিকাদান চলছে। দেশব্যাপী টিকাদান শুরু হবে আর ২ দিন পর, ২০ এপ্রিল। এর পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুদের বিচ্ছিন্ন রেখে (আইসোলেশন) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্যবিদরা মনে করছেন, টিকাদান, আইসোলেশন ও মানুষের সতর্কতার কারণে হামের সংক্রমণ কমে আসতে পারে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত, যা শিশুদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, ইনফেকশন ও মস্তিষ্কে প্রদাহ, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। অথচ রোগটি প্রতিরোধযোগ্য, যা টিকা দেওয়ার মাধ্যমে সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। টিকাদান কর্মসূচিতে অনিয়ম, জনসচেতনতার অভাব এবং কিছু ক্ষেত্রে টিকা না নেওয়ার প্রবণতা বা নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে শিথিলতা ও ব্যর্থতা, টিকা নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা বা অনীহা—এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

হামে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১২৭: দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পাঁচজনের মধ্যে হামে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের, বাকি দুজনের শরীরে হামের উপসর্গ ছিল। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৩৭ জন এবং হামের লক্ষণ নিয়ে ১৭৪ জনের মৃত্যু হলো।

গতকাল শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়, গত বুধবার সকাল ৮টা থেকে গত বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে ১ হাজার ১১৫ জন হামের লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছেন। এ সময়ে নমুনা পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয় ১২৭ জনের।

গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হামের লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছেন ২১ হাজার ৪৬৭ জন। এ সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ১৯২ জনের শরীরে। দেশে এখন পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৯৮ জন। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১১ হাজার ২৪৩ জন।

গত এক দিনে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৩৫৭ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৩ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১২০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

হামের লক্ষণ নিয়ে গত এক দিনে যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের দুজন বরিশাল বিভাগের এবং একজন ঢাকা বিভাগের। বরিশালের দুজন বরগুনা জেলার।

১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। আর রাজশাহী বিভাগে মারা গেছেন ৬৫ জন।

হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় হটস্পট নির্ধারণ করে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। দেশের ৬টি বিভাগে এ পর্যন্ত ১৩ লাখ ২৫ হাজার ১৬৪ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ বরিশাল ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে ৩ লাখ ৯০ হাজার ২৬৪ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

হাম ছড়িয়েছে ৬১ জেলায়: সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) বলছে, দেশের ৬১টি জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়েছে। হামে আক্রান্ত শিশুদের ৮৩ শতাংশের বয়স পাঁচ বছরের নিচে। গত এক মাসে হাম-উপসর্গে দুই শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ধারণা, হামের প্রাদুর্ভাব আরও এক থেকে দেড় মাস স্থায়ী হতে পারে। তারা বলেছে, ইতোমধ্যে বেশি সংক্রমণ এমন এলাকাগুলোয় (হটস্পট) টিকাদান চলছে।

দেশব্যাপী হামের পরিস্থিতিতে বলা হয়, দেশে শিশুদের বর্তমানে হামে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। ২০২৩ সালে ৮৬ শতাংশ শিশু টিকার প্রথম ডোজ ও ৮১ শতাংশ শিশু দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে। চার-পাঁচ বছরে টিকা না পাওয়া বা অরক্ষিত শিশুর সংখ্যা হয়েছে এক বছরে জন্ম নেওয়া শিশুর সমান বা তার বেশি। এমন পরিস্থিতিতে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

নবজাতকের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করেন এমন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দেশে বছরে প্রায় ৩৪ লাখ শিশু জন্মগ্রহণ করে। ইপিআইয়ের হিসাবে হাম-রুবেলার টিকা না পাওয়া শিশুর সংখ্যা ৩৪ লাখ বা তার বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. জাহিদ রায়হান বলেন, ‘আমরা হটস্পটগুলোতে টিকাদান শুরু করেছি। আমরা হামে আক্রান্ত শিশুদের আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা করেছি। হাম এখন আর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে না। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আমাদের জানিয়েছেন, এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব নিম্নগামী হবে।’

১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু, আক্রান্ত ৬৬ শতাংশ শিশুই পায়নি টিকা: সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে এ বছর রেকর্ড সংখ্যক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে এবং আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৬৬ শতাংশই টিকার একটি ডোজও পায়নি।

প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত শিশুদের মধ্যে ৪৭ শতাংশেরও বেশি কোনো ধরনের টিকা গ্রহণ করেনি। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে ২০৬ জন শিশু মারা গেছে, যাদের মধ্যে ৩৪ জন ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া হামের কারণে এবং ১৭২ জন সন্দেহভাজন হিসেবে মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৩,০৬৫ জন ল্যাবে নিশ্চিত হওয়া রোগী এবং ২০,৩৫২ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময় সুস্থ হয়েছেন ১০,৪৯৬ জন। এর আগে ২০১৭ সালে ১০ জনের মৃত্যু ছিল গত এক দশকে হামে সর্বোচ্চ প্রাণহানির রেকর্ড।

এই প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ফল। করোনা মহামারির প্রভাব, সরকারি কার্যক্রম পরিকল্পনা স্থগিত হওয়া, টিকা ক্রয়ে বিলম্ব এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের বারবার কর্মবিরতির কারণে রুটিন টিকাদান কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

২০২০ সালের পর থেকে বড় পরিসরে কোনো হাম টিকাদান কর্মসূচি না হওয়া এবং বৈদেশিক সহায়তা অনুমোদনে দেরির কারণে ক্রমেই টিকার বাইরে থেকে যায় বিপুলসংখ্যক শিশু। ফলে ‘হার্ড ইমিউনিটি’ ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে এবং প্রাদুর্ভাবের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, অপর্যাপ্ত টিকাদানই এই ক্রমবর্ধমান প্রাদুর্ভাবের প্রধান কারণ। তিনি বলেন, ‘হার্ড ইমিউনিটি তৈরি না হওয়ায় হাম সহজেই ছড়িয়ে পড়ছে।’

ইপিআইয়ের তথ্যমতে, নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীদের ৮৫ শতাংশই ৫ বছরের কম বয়সি শিশু। এসব শিশুদের মধ্যে ৬৫.৭ শতাংশের কোনো টিকাই ছিল না এবং ২১ শতাংশ শিশু কেবল আংশিক টিকা পেয়েছিল। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২১% নিশ্চিত এবং ২৫.৫% সন্দেহভাজন রোগী এক ডোজ এবং যথাক্রমে ১৩.৩% ও ২৭.২% দুই ডোজ টিকা পেয়েছিল।

ডা. বেনজির আহমেদ জানান, হার্ড ইমিউনিটি গড়তে অন্তত ৯৫ শতাংশ টিকার কাভারেজ প্রয়োজন। ১৯৮৯ সালে টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে বড় কোনো প্রাদুর্ভাব দেখা না গেলেও, বর্তমানে কোভিড-১৯ এবং পরবর্তী সময়ে কার্যক্রম পরিকল্পনা স্থগিত হওয়ার মতো বিষয়গুলো পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।

২০ তারিখ থেকে দেশজুড়ে টিকাদান শুরু: দেশে হামের টিকার কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, আগামী ২০ তারিখ থেকে দেশজুড়ে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যথাসময়েই হামের টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বর্তমানে টিকার কোনো ঘাটতি নেই। তবে সিরিঞ্জের মজুত নিয়ে মন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ মে পর্যন্ত পর্যাপ্ত সিরিঞ্জ রয়েছে। পরবর্তী সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় সিরিঞ্জ সংগ্রহের ব্যবস্থা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন আছে।

আসন্ন মৌসুম সামনে রেখে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাসপাতালগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সামনে যক্ষ্মার প্রকোপ বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা থেকে আগেভাগেই টিকা ও প্রতিষেধকের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, হাম প্রতিরোধে টিকার ভূমিকা অনেক বেশি। বিশিষ্ট রোগতত্ত্ববিদ এবং সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান বলেন, টিকার দেশব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু হবে ২০ এপ্রিল। সাধারণত ক্যাম্পেইন শুরুর দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রাদুর্ভাব কমতে দেখা যায়। ঠিকমতো টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হলে আশা করা যায়, প্রাদুর্ভাব থাকবে না।

ইপিআই বলছে, হাম যে কোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। তবে শিশুদের মধ্যেই এর প্রকোপ, জটিলতা ও মৃত্যু বেশি দেখা যায়। হামের জটিলতার মধ্যে আছে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি, এনকেফালাইটিস, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা ও শ্রবণপ্রতিবন্ধিতা।

ইপিআই থেকে জানানো হয়েছে, দেশের ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সি (পাঁচ বছর) সব শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হচ্ছে বা হবে। আগে হাম-রুবেলার টিকা পেয়ে থাকলেও অথবা শিশু হাম বা রুবেলায় আক্রান্ত হয়ে থাকলেও ওই বয়সের সব শিশুকে এক ডোজ টিকা দেওয়া হবে।

টিকা দেওয়া হবে নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন, ইবতেদায়ি, মক্তব, এতিমখানা ও শিশু আশ্রমে। এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত পাঁচ বছরের কম বয়সি ছাত্রছাত্রীকে টিকা দেওয়া হবে। এ ছাড়া যেসব শিশু স্কুলে যায় না কিংবা স্কুলে টিকা নেয়নি, তারা যে এলাকায় থাকে, সেখানকার নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।

ক্যাম্পেইন চলাকালে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের হাসপাতাল এবং সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র পরিচালিত হবে। শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন এসব কেন্দ্র চালু থাকবে। ক্যাম্পেইন চলার সময় এসব কেন্দ্র থেকে রুটিন টিকাও দেওয়া যাবে।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  হাম   ভয়াবহ   প্রকোপ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close