ঢাকার রাজপথের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেত্রী মাগুরার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী দ্বিতীয়বারের মতো সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করার পর থেকেই মাগুরা জেলা ও মহম্মদপুর উপজেলা জুড়ে বইছে আনন্দ ও গর্বের জোয়ার।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ এপ্রিল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তার মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। পরবর্তীতে আজ ২০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে রুহুল কবির রিজভী তার নাম ঘোষণা করেন।
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার এক ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া নেওয়াজ হালিমা আরলী ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বের সামনের সারিতে ছিলেন। তিনি ইডেন মহিলা কলেজের সাবেক ভিপি (বদরুন্নেসা কলেজ শাখা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন রয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী কেবল একজন শিক্ষিত ও মার্জিত নেত্রীই নন, বরং রাজপথের আন্দোলনে তিনি একজন পরীক্ষিত ও সাহসী মুখ। তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান তাকে সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী বলেন, ‘আমি সবসময়ই সাধারণ মানুষের কাতারে থাকতে চেয়েছি। মাগুরার উন্নয়ন, বিশেষ করে নারী ক্ষমতায়ন ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে আমি আগের মতোই নিবেদিত থাকব। আমার পরম শ্রদ্ধেয় নেতা তারেক রহমানের আস্থার প্রতিদান দিতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাগুরাবাসীর অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার রাজনৈতিক জীবনের মূল শক্তি। আমি যেন এই অর্পিত দায়িত্ব সততার সাথে পালন করতে পারি, সেজন্য আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।’
কেকে/ এমএস