মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর       কোনো রোগী যেন চিকিৎসার অভাবে দুর্ভোগে না পড়ে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী      রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ      হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      
দেশজুড়ে
তিস্তার চরে সোনালি সম্ভাবনা, কুমড়া চাষে প্রাণ পাচ্ছে স্থানীয় অর্থনীতি
নির্মল রায়, গঙ্গাচড়া (রংপুর)
প্রকাশ: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়নের মহিপুর তিস্তা সেতুর উত্তর পাশে গড়ে উঠেছে মিষ্টি কুমড়ার একটি জমজমাট আড়ত। তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে উৎপাদিত এই কুমড়াকে ঘিরে প্রাণ ফিরে পেয়েছে স্থানীয় অর্থনীতি—মুখে হাসি ফুটেছে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের।

স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়ার মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলায় এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিদিন চরাঞ্চলের ক্ষেত থেকে ব্যবসায়ীরা কৃষকদের কাছ থেকে কুমড়া সংগ্রহ করে মহিপুরের এই আড়তে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকাররা কুমড়া কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

আড়তের ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম (৩০) ও মমিনুর ইসলাম (৪৫) জানান, তারা কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কুমড়া ১৭ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে কিনে পাইকারিতে ২২ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন। প্রতিদিন ট্রাকযোগে এসব কুমড়া ঢাকা, পাবনা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও মাগুরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে।

তারা আরও জানান, দেশের চাহিদা মিটিয়ে এই অঞ্চলের কুমড়া বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ায় নিয়মিতভাবে এই কুমড়া পাঠানো হচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কুমড়ার ফলন ভালো হয়েছে। বাজারদরও সন্তোষজনক থাকায় কৃষক যেমন লাভবান হয়েছেন, তেমনি আমরাও ভালো লাভ করতে পেরেছি।’

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মোন্নাফ মিয়া বলেন, ‘তিস্তার চরাঞ্চলে কুমড়ার চাষ এখন সম্ভাবনাময় খাতে পরিণত হয়েছে। আগে অনেক জমি অনাবাদি পড়ে থাকলেও এখন কৃষকরা কুমড়া চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। যথাযথ সহায়তা পেলে এই খাত আরও প্রসারিত হবে।’

লক্ষীটারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল্লা আল হাদী বলেন, ‘তিস্তা পাড়ের চরাঞ্চলে কুমড়া চাষ এখন স্থানীয় অর্থনীতির একটি বড় ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষকরা পরিশ্রম করে ভালো ফলন পাচ্ছেন। ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হলে তাদের জীবনমান আরও উন্নত হবে। আমরা চাই এই খাতে সরকারি সহায়তা ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা করা হোক, যাতে কৃষকরা আরও বেশি উপকৃত হতে পারেন।’

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close