ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সক্ষম করে তুলতে আয়োজিত চারদিনব্যাপী ‘শূন্য জ্ঞান থেকে গবেষণা প্রকাশনা পর্যন্ত নতুন শিক্ষার্থীদের সক্ষম করে তোলা’ প্রতিপাদ্যে বায়োইনফরমেটিকস, নেটওয়ার্ক ফার্মাকোলজি ও ড্রাগ ডিসকভারি বিষয়ক কর্মশালার সমাপনী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল ল্যাবে আয়োজিত এক সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইইই- ইঞ্জিনিয়ারিং ইন মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজি সোসাইটি (ইএমবি) ব্রাঞ্চের উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আইইইই ইএমবিএসের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের কাউন্সিলর অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুর রহমান।
এছাড়া অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি ড. খাইরুল ইসলাম; আইসিটি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ; কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বাপ্পা সরকার এবং স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমন বিশ্বাস। কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন আইইইই ইএমবিএস, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার চেয়ার মো. ইয়াকুব আলী।
আয়োজকরা জানান, চারদিনব্যাপী বায়োইনফরমেটিকসের বেসিক কর্মশালাটি ৪০-এর বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ করেছিলেন। এতে একদম শুরুর পর্যায় থেকে কীভাবে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করা যায় সে বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় বায়োইনফরমেটিকসের সম্ভাবনা ও সুযোগ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় গবেষণা প্রপোজাল ও গ্রাফিক্যাল অ্যাবস্ট্রাক্ট উপস্থাপনার ভিত্তিতে স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে তিনজন বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। বিজয়ীরা হলেন—স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স বিভাগের মাহমুদুল ইসলাম, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের লাবিব রহমান এবং জোবায়ের হোসেন।
কেকে/ এমএস