চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় দম্পতি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বাগমুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন এলাকার আবদুর নুর ও তার স্ত্রী তাহেরা আকতার মনি।
এই ঘটনায় বুধবার (২২ এপ্রিল) ভুক্তভোগী তাহেরা আকতার মনি বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে একই এলাকার আলতাফ হোসেনের দুই ছেলে আবদুস সবুর (৪০) ও আবদুল আলমকে (৫৫) বিবাদী করা হয়েছে।
জিডি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিবাদী আবদুস ছবুর ও আবদুল আলম সম্পর্কে বাদীর ভাসুর। দীর্ঘ দিন ধরে তাদের মধ্যে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার বৈঠকের চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
বুধবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে বিবাদীরা বসতঘরের পাশে গাছ কাটতে শুরু করেন। এতে আবদুর নুর বাধা দিলে বিবাদীদের সঙ্গে তার হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে বিবাদীরা তাকে মারধর শুরু করেন। স্বামীকে বাঁচাতে স্ত্রী তাহেরা আকতার এগিয়ে এলে বিবাদীরা তাকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে আহত করেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাহেরা আকতার মনি বলেন, ‘জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমার ভাসুররা অন্যায়ভাবে গাছ কাটছিল। বাধা দেওয়ায় তারা আমার স্বামীকে এবং আমাকে বেধড়ক মারধর করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
অন্যদিকে, অভিযুক্ত আবদুস ছবুর মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘মারধরের বিষয়টি মিথ্যা। আমি কেবল আমার ভাইকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করেছি। তখন তার স্ত্রী এসে আমার সাথে তর্কে লিপ্ত হয়। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন।’
এ বিষয়ে জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা ও লোহাগাড়া থানার এএসআই মাহবুব সরওয়ার জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বিবাদীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কেকে/এমএ