বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সংস্কারের অভাবে দেশের আর্থিক খাতের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। সংস্কার এখন শুধু আন্তর্জাতিক সংস্থার চাপের বিষয় নয়; বরং দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির স্বার্থেই তা জরুরি হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে, গত দেড় থেকে দুই দশকে নীতিগত দুর্বলতা ও সংস্কারের ঘাটতি আর্থিক খাতকে ক্রমশ ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম, শৃঙ্খলার অভাব এবং সরকারের অতিরিক্ত ঋণগ্রহণ অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে কিছু ব্যাংকের একত্রীকরণ ও মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা খাতটির স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
এমন প্রেক্ষাপটে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও টেকসই পথে রাখতে বাস্তবভিত্তিক নীতি গ্রহণ, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং দ্রুত কাঠামোগত সংস্কারের পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) কার্যালয়ে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআইয়ের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. আশিকুর রহমান।
তিনি বলেন, মার্চ মাসেই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এটি হাই-পাওয়ার মানি, অর্থাৎ ছাপানো টাকা। এর প্রভাবে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত গত ১৮ মাসে বাংলাদেশের অর্থনীতি একটি ভঙ্গুর পুনরুদ্ধারের মধ্য দিয়ে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০২৪ সালের শেষ দিকে প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মূল্যস্ফীতি ৮-৯ শতাংশে নেমে এসেছে এবং গত পাঁচ মাসে ব্যাংক খাতে আমানত প্রবৃদ্ধি দ্বি-অঙ্কে পৌঁছেছে, যা আর্থিক খাতে আস্থার কিছুটা পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।
তবে এই পুনরুদ্ধার কিছু মৌলিক দুর্বলতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ২০২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৩ শতাংশে, যা কোভিড সময়ের পর সর্বনিম্ন। ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশে পৌঁছানোয় আর্থিক খাত দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৬ শতাংশে নেমেছে।
পাশাপাশি রাজস্ব খাতে পর্যাপ্ত সক্ষমতা না থাকায় সরকার উচ্চ সুদের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এবং সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থায়নও নিতে হচ্ছে।
ফলে এই ভঙ্গুর সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখন তিনটি সমসাময়িক বহিরাগত চাপের মুখে—মধ্যপ্রাচ্য সংকট, আসন্ন এলডিসি উত্তরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নীতির অনিশ্চয়তা। এসব চাপ জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, বাণিজ্য প্রবাহের দুর্বলতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ব্যাঘাতের মাধ্যমে অর্থনীতির সর্বস্তরে প্রভাব ফেলছে।
একই সঙ্গে রপ্তানি কমে যাওয়া এবং জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে। আর সীমিত নীতিগত সক্ষমতা সামগ্রিক ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে।
এই প্রেক্ষাপটে রাজস্ব ও আর্থিক খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার থেকে সরে আসা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। আইএমএফ কর্মসূচি নিয়ে অনিশ্চয়তাও আন্তর্জাতিক অংশীদার ও বাজারের কাছে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। এটি অনেকাংশেই ‘স্ব-সৃষ্ট চাপ’, যা বর্তমান সময়ে দেশের পক্ষে বহন করা কঠিন।
তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রয়োজন সতর্ক, শৃঙ্খলাপূর্ণ এবং বাস্তবসম্মত সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, যেখানে রাজস্ব ও মুদ্রানীতিতে বিচক্ষণতা অপরিহার্য। স্বল্পমেয়াদি জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত করতে পারে। একই সঙ্গে কাঠামোগত সংস্কারকে কেবল আইএমএফের শর্ত হিসেবে নয়, বরং জাতীয় অর্থনৈতিক প্রয়োজন হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি)-এর সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সন্ধিক্ষণে রয়েছে। এখানে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া এবং বিদ্যমান শক্ত ভিত্তিকে কাজে লাগানো অত্যন্ত জরুরি।
দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের দীর্ঘদিনের অস্থিরতা বিনিয়োগে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিনিয়োগে ধীরগতির অন্যতম কারণ জ্বালানি খাতে অনিশ্চয়তা। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে দীর্ঘদিনের অস্থিরতা উদ্যোক্তাদের আস্থা কমিয়ে দিয়েছে।
সরকার ও ব্যবসায়ীদের একসঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে উদ্যোক্তাদের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কাজ করছে। তারা গ্যাস-বিদ্যুৎ পাবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি অনিশ্চয়তার পাশাপাশি ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, ঋণপ্রাপ্তির জটিলতা এবং খেলাপি ঋণের ঝুঁকি বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। ফলে নতুন শিল্প স্থাপন বা বিদ্যমান ব্যবসা সম্প্রসারণে উদ্যোক্তারা সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন।
মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে রাজনীতি এবং ব্যবসা সমান্তরালভাবে চলে। সরকার ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কোথাও যেন একটি ব্যবধান রয়ে গেছে, যা দূর করা প্রয়োজন। স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ না করলে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগও আসবে না।
তিনি বলেন, বিনিয়োগ না থাকলে যন্ত্রপাতি আমদানির প্রয়োজনও পড়ে না। উদ্যোক্তারা নিশ্চিত নন, ভবিষ্যতে গ্যাস বা বিদ্যুৎ পাবেন কি না। ঋণখেলাপি হয়ে যাওয়ার ভয় এবং ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত সুবিধা না পাওয়ার আশঙ্কাও তাদের মধ্যে কাজ করছে।
উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে চাপে ফেলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতিনির্ধারকদের আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন।
একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং প্রয়োজনে ব্যাংক একীভূতকরণের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
পিআরআইয়ের চেয়ারম্যান ড. জাইদী সাত্তার বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা একটি মৌলিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, যেসব দেশ এই ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিয়েছিল, তারাই এখন সেই নিয়ম লঙ্ঘন করছে। ফলে এই ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমরা সম্ভবত একটি নতুন, আরও বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছি।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালির অস্থিরতা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এর ফলে বিশ্ব বাণিজ্য ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি বলেন, আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কমেছে এবং বাণিজ্য প্রবৃদ্ধিও ২-৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আরও কমার ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশও এর প্রভাব থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারবে না।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি মজুদ বর্তমানে প্রায় তিন মাসের চাহিদা মেটানোর মতো, যা একটি গুরুতর সীমাবদ্ধতা।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানির পাশাপাশি সার ও খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেলে তা সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ গত কয়েক বছরে কোভিড-১৯ মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাঘাত, বিনিময় হার ধাক্কা, শুল্ক ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ একাধিক অর্থনৈতিক অভিঘাত মোকাবিলা করেছে। এর সঙ্গে এখন মধ্যপ্রাচ্য সংকট যুক্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি প্রায় ৬ শতাংশ হতে পারে এবং গভীর সংস্কার বাস্তবায়ন করা গেলে তা ৭-৮ শতাংশে উন্নীত হওয়া সম্ভব। তবে বর্তমান বাস্তবতায় ২০২৬ অর্থবছরে ৪.৭-৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি একটি যুক্তিসঙ্গত প্রত্যাশা।
আইএমএফ কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চূড়ান্ত কিস্তি প্রাপ্তি নির্ভর করছে বিনিময় হার সংস্কার, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, আর্থিক খাত সংস্কার এবং সামষ্টিক স্থিতিশীলতা অর্জনের ওপর।
তিনি আরও বলেন, বৈদেশিক খাতে অগ্রগতি হলেও রাজস্ব ও ব্যাংকিং খাতে এখনও কাঠামোগত দুর্বলতা রয়ে গেছে।
তিনি জানান, ২০২৬ অর্থবছরে রপ্তানি প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে আমদানি প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে, যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের আংশিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।
তবে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য ৭-৮ শতাংশ আমদানি প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন, কারণ আমদানি উৎপাদন, বিনিয়োগ ও রপ্তানির জন্য অপরিহার্য উপকরণ সরবরাহ করে।
আমদানি নীতির সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের আমদানি-জিডিপি অনুপাত প্রায় ১৬ শতাংশ, যা বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় অনেক কম। রপ্তানি সম্প্রসারণে উৎপাদন সংশ্লিষ্ট আমদানিতে উদারতা আনতে হবে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে সক্ষম, যা আগের তুলনায় উন্নতির ইঙ্গিত দেয়।
বিআইজিডির ভিজিটিং রিসার্চ ফেলো খন্দকার শাখাওয়াত আলী বলেন, বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
তিনি বলেন, বিনিয়োগের এই মন্দাভাব নিরসনে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তিনি আরও বলেন, পাঁচটি ইসলামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের একত্রীকরণ এবং আগের মালিকদের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়াটি ব্যবসায়ী সমাজ কীভাবে দেখবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি উল্লেখ করেন, এখন সময় এসেছে সৎ ও অসৎ বিনিয়োগকারীদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করার; নতুবা দেশ বড় সংকটে পড়তে পারে।
তিনি বলেন, সংস্কারের যে কাজগুলো শুরু হয়েছে, সেখান থেকে পিছিয়ে আসার সুযোগ নেই। এই স্বজনতোষী চক্রে শুধু ব্যবসায়ী নয়, রাজনীতিবিদ, সামরিক ও বেসামরিক আমলাতন্ত্র, আদালত, গণমাধ্যম এবং বুদ্ধিজীবীরাও জড়িত।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার এক কঠিন সময়ের মুখে রয়েছে। আগামী বাজেটে টাকা ছাপিয়ে ভর্তুকি দেওয়া হলে তা মুদ্রাস্ফীতি বাড়াবে এবং সরাসরি নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
পিআরআইয়ের গবেষণা পরিচালক ড. বজলুল হক খন্দকার বলেন, ২০৩৪-৩৫ সালের পর বাংলাদেশের জনসংখ্যাগত সুবিধা হ্রাস পেতে পারে। তাই এখনই উৎপাদনশীল সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি।
তিনি আরও বলেন, দেশে মূল্যস্ফীতি কেন তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল হচ্ছে না, তা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ব্যাংক ঋণের ওপর অতিনির্ভরতা কমিয়ে বন্ড বাজারকে শক্তিশালী করতে হবে, যাতে রাজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং আর্থিক পরিসর সম্প্রসারিত হয়।
কেকে/এলএ