ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় মো. গাউস মোল্যা (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি পেটা করে মারাত্মকভাবে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
হাতুড়ি পেটায় দুই পা-ই ভেঙ্গে গেছে। তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা ব্যবসায়ীর নিকট থাকা তিন লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল পাশের খাদে ফেলে পালিয়ে যায়।
মঙ্গলবার ২৮ (এপ্রিল) ভোরে উপজেলার শেখর ইউনিয়নের শেখর ডোলভিটায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জানা যায়, মো. গাউস মোল্যা (৫৫) শেখর ইউনিয়নের রায়বর গ্রামের মৃত মো. বশার মোল্যার ছেলে। সহস্রাইল বাজারে তার নিজের দোকান রয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৪ টার দিকে মোটরসাইকেলে সহস্রাইল বাজারে পেঁয়াজ কিনতে যাওয়ার পথে ডোলভিটায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তার গতি রোধ করে। এসময় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে এবং গাড়ি থেকে ফেলে দিয়ে দুই পায়ে হাতুড়ি পেটা করে।
এ সময় গাউস মোল্যার কাছে থাকা পেঁয়াজ কেনার তিন লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা এবং তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পাশের খাদে ফেলে দেয়। চিৎকারে পাশের লোকজন ছুটে গেলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ফরিদপুর ট্রমা সেন্টারে পাঠিয়ে দেন।
এ বিষয়ে গাউস মোল্যার চাচতো ভাই পারভেজ সজল বলেন, “ধারালো দা দিয়ে কোপানো হয়েছে ও হাতুড়ি দিয়ে দুই পায়ের হাটুর নিচে পিটিয়েছে। দুই পায়ের তিন যায়গায় ভেঙ্গে গেছে। পেঁয়াজ কেনার জন্য সোমবার ব্যাংক থেকে তিন লাখ টাকা তুলেছিল সাথে তার বাড়িতেও টাকা ছিল। সব টাকা নিয়ে তিনি সহস্রাইল বাজারে যাচ্ছিল। পুলিশ তদন্ত করতে গিয়ে মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।”
বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
কেকে/এসএম