রোববার, ২ আগস্ট ২০২৬,
১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ২ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ      ঢাবিতে ভর্তি আবেদন ১১ নভেম্বর থেকে, পরীক্ষা শুরু ৫ ডিসেম্বর      সব বেসরকারি দাখিল-আলিম মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল      ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৭০ টাকা      ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু      দুবাইয়ের জেল থেকে মুক্তি পেলেন বেনজীর      ঢাকার চারপাশের নৌ-পথ সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর      
অর্থনীতি
বিএনপি আমলে শেয়ারবাজারে লুটপাট হয়নি, এবারও হবে না : অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৪ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বিএনপির শাসনামলে শেয়ারবাজার লুটপাটের কোনো সুযোগ ছিল না এবং বর্তমান সময়েও কাউকে সে সুযোগ দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এদিন তিনি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ সংশোধনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’–এর ওপর বিশেষ কমিটির সুপারিশ বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

বিলটির ওপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি দেশের অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তার ভাষ্য, একটি শক্তিশালী ও টেকসই অর্থনীতির জন্য শেয়ারবাজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। বিশ্বের উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতেও শেয়ারবাজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের অতীত তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে ভয়াবহ ধসের অভিজ্ঞতা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রকাশিত শ্বেতপত্রের উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, গত ১৫ বছরে শেয়ারবাজার থেকে এক লাখ কোটি টাকার বেশি লুটপাট হয়েছে, যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অর্থ। তার অভিযোগ, একটি বিশেষ গোষ্ঠী ও কিছু ব্যবসায়ী এই লুটপাটের সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাদের কখনো জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়নি।

বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, শেয়ারবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থায় দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

জবাবে অর্থমন্ত্রী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সঙ্গে আংশিক একমত পোষণ করলেও বিলটি পুনরায় যাচাইয়ের প্রয়োজন নেই বলে মত দেন। তিনি বলেন, বিশেষ কমিটি ইতোমধ্যে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে, তাই আবার জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর প্রয়োজন নেই। পরে কণ্ঠভোটে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়।

একই অধিবেশনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়। বিরোধীদলীয় নেতা ও ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক নিয়োগ ও বিদায়ের ঘটনাগুলো গণতন্ত্রসম্মত নয়। তার মতে, যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য স্থানে বসানো না হলে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়।

এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গভর্নরের পারফরম্যান্স আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো। তিনি আরও জানান, আর্থিক খাতে রাজনৈতিক নিয়োগ না দেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট অবস্থান রয়েছে।

এ সময় বিরোধী দলীয় উপনেতা ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, বর্তমান গভর্নর নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত থাকায় তাকে পরিবর্তন করা হবে কি না। জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো দলকে সমর্থন করলেই তিনি দলের লোক হয়ে যান না।

অধিবেশনের শেষ দিকে ‘বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সংশোধন বিল-২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়। তবে এই বিলসহ আলোচিত দুই বিলেই বিরোধী দলের আপত্তি ছিল এবং তারা আলোচনার জন্য সময় চাইলেও তা গ্রহণ করা হয়নি।

কেকে/এজে


আরও সংবাদ   বিষয়:  শেয়ারবাজারে লুটপাট   বিএনপি আমল   অর্থমন্ত্রী  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

অর্থনীতি- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close