টানা বৈরী আবহাওয়া ও বন্যার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় থাকা কৃষকদের মাঝে অবশেষে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তন, স্থানীয়ভাবে যাকে অনেকে ‘রুদ্রের ঝিলিক’ বলে উল্লেখ করছেন, তাতে মাঠের পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন কৃষকরা।
গত কয়েক দিন ধরে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে ফসলহানির শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। ইতোমধ্যে জলাবদ্ধতার কারণে অনেক কৃষকের স্বপ্ন তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলের কৃষকরা পাকা ধান ঘরে তুলতে না পারায় দুশ্চিন্তায় ছিলেন।
তবে আবহাওয়ার সাময়িক উন্নতিতে কৃষকরা দ্রুত ধান কাটার কাজে নেমে পড়েছেন এবং ধান খলা থেকে ধান শুকিয়ে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, বৃষ্টি কমে যাওয়ায় তারা স্বস্তি পেয়েছেন। অনেকেই দিন-রাত পরিশ্রম করে ধান ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন—যাতে আবার বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেই ফসল রক্ষা করা যায়।
উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, আবহাওয়ার এই অনুকূল পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে দ্রুত ফসল কাটার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতাও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।
এদিকে কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও শঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি। আবারও বৃষ্টিপাত শুরু হলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তাই সময় নষ্ট না করে দ্রুত ফসল ঘরে তোলার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সব মিলিয়ে, প্রকৃতির এই সাময়িক সহায়তায় নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।
কেকে/এসএম