সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
ফসলি জমিতে মাটি ভরাট, তলিয়ে গেছে হাজার একর জমির ধান
ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৯:২৯ পিএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে ৩টি ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার একর বোরো আবাদি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ধান ঘরে তোলার সময় হলেও পানিতে তলিয়ে থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন কয়েক শতাধিক কৃষক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের বাগডোকরা প্রধানপাড়া এলাকায় একটি সেচ ক্যানেল বন্ধ করে ফিলিং স্টেশন ও অটো রাইস মিল নির্মাণের জন্য ফসলি জমিতে মাটি ভরাট করা হয়েছে। ফলে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গিয়ে বৃষ্টির পানি জমে থেকে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ডুবে যায়।

অভিযোগ রয়েছে, ওই এলাকার মো. বুলু ইসলাম ‘বুলি ফিলিং স্টেশন’ ও ‘বুলি অটো রাইস মিল’ নির্মাণের উদ্দেশ্যে মাটি ভরাট করে আগের সেচ ক্যানেল বন্ধ করে দেন। এতে পানি বের হওয়ার রাস্তা না থাকায় ধান পানিতে তলিয়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, “ধান কাটার উপযুক্ত সময় হলেও পানির কারণে মাঠে নামা যাচ্ছে না। দ্রুত পানি নামানো না গেলে পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।”

এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, প্রভাব খাটিয়ে ক্যানেল বন্ধ করায় পুরো এলাকার কৃষি ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে। তারা বলেন, “বুলু প্রায় ৭ বছর আগে ঢাকায় রিকশা চালাতো। হঠাৎ করে এত সম্পদের মালিক হওয়া নিয়ে প্রশাসনের খতিয়ে দেখা দরকার।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বুলু ইসলাম বলেন, “আমি কোনোভাবেই আমার জমি দিয়ে পানি বের হতে দিবো না। সরকার আসলেও দিবো না। আমার নামে যত মামলা হয় হোক, তবুও পানি বের হতে দিবো না।”

বোড়াগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিমুন বলেন, “বুলুকে একাধিকবার অনুরোধ করা হয়েছে পানি বের হওয়ার ব্যবস্থা করতে, কিন্তু তিনি তা মানেননি। এতে কৃষকরা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন,“ইচ্ছে করে কেউ ফসলি জমি ভরাট করে পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।”

স্থানীয়রা দ্রুত সেচ ক্যানেল পুনরুদ্ধার, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং বুলুর বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কেকে/এসএম



মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close