নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় প্রাচীনতম সোমপাড়া জামে মসজিদ জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এতে করে এ মসজিদে প্রতিনিয়ত নামাজ আদায়কারী মুসল্লিরা ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায় করে আসছেন।
জানা গেছে, সোমপাড়া বাজারে ৭০/৮০ বছর আগে এ মসজিদটি স্থাপন করা হয়। তখন সোমপাড়া এবং আর আশপাশের ৪/৫টি গ্রামের মুসল্লিরা নামাজ পড়তো এ মসজিদে। মসজিদটি দ্বিতীয় তলা বিশিষ্ট। বর্তমানে সোমপাড়া এলাকার আশেপাশে ৮/১০টি মসজিদ থাকলেও মুসল্লিরা পুরাতন এ মসজিদে নামাজ আদায় করে থাকেন। জুমার নামাজে ৫ শতাধিক এবং প্রতি ওয়াক্তে শতাধিক মুসল্লি নামাজ পড়ে থাকেন।
আরও জানা গেছে, বর্তমান মসজিদটির ফ্লোর ধসে পড়ছে, মূল কলামে ফাটল দেখা দিয়েছে, ছাদেও ফাটল দেখা দিয়েছে। অনেক স্থানে ছাদের আস্তর ধসে পড়েছে। নামাজের সময় এবং অন্যান্য সময় ছাদ ধসে নিচে পড়ছে। এরপরও এ মসজিদে বর্তমানে বাজারের ব্যবসায়ীসহ পাঁচ শতাধিক মুসল্লি ও প্রতি ওয়াক্তে শতাধিক মুসল্লি ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায় করছে।
বাজারের ব্যবসায়ী মাহবুবু বলেন, “বিভিন্ন খাতে মসজিদে যে টাকা আয় হয় তা মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জম ও বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়ে যায়। এর সংস্কার ও সম্প্রসারণের জন্য বাড়তি কোন টাকা থাকে না।”
নিয়মিত মুসুল্লী এমরান হোসেন বলেন, “মসজিদটি জরাজীর্ন, যে কোন সময় ধ্বসে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা সংগঠিত হওয়ার আশংকা রয়েছে।”
মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান মাস্টার বলেন, “মসজিদটি সংস্কার এবং আধুনিকায়ন করা অতি জরুরী। এ কাজ করতে কমিটি চেষ্টা চালাছে। কিন্তু এ কাজে যে অর্থের প্রয়োজন তা মসজিদ কমিটির কাছে নেই।”
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ খোকন জানান, মসজিদটি অতি প্রাচীন, বর্তমানে এটির জীর্ণশীর্ণ অবস্থা। এর সংস্কার ও আধুনিকায়নে সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এসে কাজ করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তাছাড়া প্রাচীনতম এ মসজিদটি সংস্কার ও পুনঃনির্মাণ করতে অগ্রণী ব্যাংক হিসাব নং- ০২০০০০৬৬৯৬৭২, নগদ ও বিকাশ- ০১৮১০৬১৬৬৮৮ নাম্বারে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানে আহবান জানিছেন মসজিদ কমিটি।
কেকে/এজে