সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
চার নবজাতক নিয়ে বিপাকে দরিদ্র পরিবার, সহায়তার অপেক্ষায় রামপালের আলাউদ্দিন
রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১:৫০ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার কামরাঙ্গার চর এলাকার বাসিন্দা আলাউদ্দিন গোলদার হঠাৎ করেই বড় এক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন। একসাথে চার নবজাতকের আগমনে তার পরিবারে সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ জনে। সীমিত আয়ের এই পরিবারে নতুন চার শিশুর ভরণপোষণ এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

আলাউদ্দিন পেড়িখালি বাজার জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহের জন্য ভ্যান চালান। সব মিলিয়ে তার মাসিক আয় প্রায় ৭ হাজার টাকা, যা দিয়ে আগে থেকেই সংসার চালানো কষ্টসাধ্য ছিল।

গত বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার স্ত্রী মনিরা বেগম একসঙ্গে চারটি সন্তানের জন্ম দেন। এর আগে তাদের আরও দুই কন্যা সন্তান রয়েছে—একজনের বয়স ১৫ বছর ও অন্যজনের ৮ বছর; দুজনই শিক্ষার্থী।

বর্তমানে মা ও নবজাতকরা শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও পরিবারের আর্থিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। প্রতিদিন চার শিশুর জন্য প্রায় ১৫০০ টাকার দুধের প্রয়োজন হচ্ছে, যা জোগাড় করা আলাউদ্দিনের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আলাউদ্দিন গোলদার বলেন, ‘একসাথে চার সন্তানের জন্মে আমি যেমন খুশি, তেমনি দুশ্চিন্তায় আছি। আমার অল্প আয়ে প্রতিদিন এত টাকা খরচ করে দুধ কেনা সম্ভব হচ্ছে না।’

তিনি জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে একবার ১০০০ টাকা সহায়তা পেয়েছেন। তবে এটি প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তিনি সরকারি ও সমাজের বিত্তবান মানুষের সহায়তা কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পরিবারটি আগে থেকেই দরিদ্র ছিল। এখন চার নবজাতকের কারণে তাদের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো সহায়তা উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

এক প্রতিবেশী বলেন, ‘মুয়াজ্জিনের আয় খুবই কম। আগে দুই মেয়ে ছিল, এখন একসাথে চারটি মেয়ে হয়েছে। এতগুলো সন্তানের ভরণপোষণ করা তার জন্য খুবই কষ্টকর। সরকার যদি সাহায্যের হাত বাড়ায়, তাহলে পরিবারটি বাঁচতে পারে।’

দেশে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। এমন বাস্তবতায় এই ধরনের অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, বরং সামাজিক প্রয়োজনও বটে।

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close