অর্থাভাবে নিভে যেতে বসেছে যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ধোপাদী গ্রামের ৮ বছরের শিশু লামিয়ার চোখের আলো। সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন তার দরিদ্র পিতা, জুট মিল শ্রমিক মিজানুর রহমান।
লামিয়া বর্তমানে আহমদ আলী সর্দার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
লামিয়ার মা রেক্সোনা খাতুন জানান, একদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর সে বাম চোখে প্রচণ্ড জ্বালা-যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকে।
প্রাথমিকভাবে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় খুলনার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল ও যশোর কপোতাক্ষ লায়ন চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে। এখন সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে বলেছেন। বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতা ও ঋণ করে এ পর্যন্ত চিকিৎসা করানো হয়েছে। কিন্তু এখন তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তাদের নেই।
লামিয়ার বাবা মিজানুর রহমান জানান, চিকিৎসকরা ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে তার মেয়ের চোখে অপারেশন করার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু সেই অপারেশন করানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য তার নেই। তিনি মেয়ের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিবেকবান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
লামিয়ার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আহমদ আলী সর্দার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ জসিম উদ্দিন বলেন, “আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্রী লামিয়ার চোখের চিকিৎসার জন্য আমরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সহায়তার চেষ্টা করেছি। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে তার উন্নত চিকিৎসা সম্ভব হবে।”
কেকে/এলএ