বান্দরবান জেলার লামা-আলীকদম উপজেলায় সড়ক পরিবহন আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ওভারলোড বা অতিরিক্ত বোঝাই করে চলছে তামাকবাহী শতাধিক ট্রাক। এসব ট্রাকে ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি তামাকজাত পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি ঝুঁকি নিয়ে ওপরে যাত্রী বসিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। ট্রাফিক বিভাগের শিথিলতা ও যথাযথ নজরদারির অভাবে সড়কে অনিয়ম এখন নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা বড় ধরনের প্রাণহানির শঙ্কা তৈরি করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রতিদিন অতিরিক্ত তামাক বোঝাই করে ট্রাক যাতায়াত করছে। ট্রাকের বডির বাইরেও বিপজ্জনকভাবে মালামাল ঝুলে থাকে এবং তার ওপর বসে ভ্রমণ করছেন শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীরা। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা ও ঢালু সড়কে এ ধরনের ওভারলোডিং যে কোনো সময় ট্রাক উল্টে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাফিক বিভাগের সামনে দিয়ে এসব অনিয়ম ঘটলেও দৃশ্যত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসনের ঢিলেঢালা নজরদারির সুযোগে ট্রাক মালিক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকসহ অন্য চালকরা আইন অমান্য করার সাহস পাচ্ছেন। বিশেষ করে তামাক মৌসুমে ট্রাকের এই দৌরাত্ম্য কয়েকগুণ বেড়ে যায়, যা সাধারণ পথচারী ও ছোট যানবাহনের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
অভিযোগ ওঠেছে, ট্রাফিক পুলিশসহ সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে চাঁদা দিয়ে এসব অতিরিক্ত তামাক বোঝাই গাড়ি চলাচল করছে।
একটি পয়েন্টে গাড়িপ্রতি সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে লামা ট্রাফিক ইনচার্জ আশিক রায়হানের মুঠোফোনে কল করলে তিনি রিসিভ করেননি।
কেকে/এমএ