সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী      দীর্ঘ হচ্ছে হামে মৃত্যুর মিছিল      ডুবল ঢাকা ভুগল মানুষ      
দেশজুড়ে
দশমিনায় প্রাথমিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় ফি নেওয়ার অভিযোগ
দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১০:০০ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর দশমিনায় ‘প্রাথমিক প্রান্তিক মূল্যায়ন’ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ২২ নম্বর মধ্য গুলি আউলিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও দুই সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) উপজেলার ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। বর্তমানে উপজেলায় ১৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা চলছে। সেদিনের সূচি অনুযায়ী ‘ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা’ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযোগে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক আবদুর রহমানের নির্দেশে সহকারী শিক্ষিকা সোনিয়া ও আরিফা বেগম প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৭০ টাকা করে পরীক্ষার ফি আদায় করছেন। পরীক্ষা শুরুর পর থেকেই এ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন অভিভাবকরা।

একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, সরকার পরীক্ষাসহ সব ধরনের কার্যক্রম বিনামূল্যে ঘোষণা করলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে টাকা আদায় করছে। তারা এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীও পরীক্ষার ফি হিসেবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছে। তাদের ভাষ্য, সহকারী শিক্ষিকারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নির্ধারিত টাকা জমা দিতে বলেছেন।

অভিভাবক চাম্পা বেগম ও রুনু বেগম জানান, টাকা না দিলে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না বলে শিক্ষার্থীদের জানানো হয়। পরে বাধ্য হয়ে তারা বিদ্যালয়ে গিয়ে টাকা পরিশোধ করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সহকারী শিক্ষিকা সোনিয়া ও আরিফা বেগম। তারা বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পরীক্ষার ফি নেওয়া হয়নি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহমানও অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কোনো শিক্ষক টাকা নিয়ে থাকলে তা তার জানা নেই। বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনিচুর রহমান বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রাথমিক প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি নেওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শিক্ষা বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিটলারুজ্জামান বলেন, পরীক্ষার ফি নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close