পটুয়াখালীর বাউফলে ঈদুল আজহার নামাজ শেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মিষ্টিমুখ করিয়েছেন পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে বাউফল উপজেলা পরিষদের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় শেষে ব্যতিক্রমধর্মী এ আয়োজন করেন তিনি।
এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবীসহ সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
নামাজ শেষে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ড. মাসুদ এমপি। পরে তিনি সাবেক এ সংসদ সদস্যকে মিষ্টিমুখ করান।
এরপর বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাকেও মিষ্টিমুখ করান। পরে সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কুশল বিনিময় ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ ড. মাসুদ এমপির এমন ব্যতিক্রমী ও আন্তরিক আয়োজনকে স্বাগত জানান এবং প্রশংসা করেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “আজকের এই আয়োজন দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। ঈদের দিন সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও প্রশাসনের সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে যেভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মিষ্টিমুখ করানো হয়েছে, তা খুবই ইতিবাচক একটি উদ্যোগ। বিশেষ করে রাজনৈতিক ভিন্নমত ভুলে সাবেক এমপির সঙ্গে যেভাবে আন্তরিক আচরণ করেছেন, তা সমাজে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা দেবে।”
কলেজ শিক্ষার্থী মো. সোহেল রানা বলেন, “তরুণ প্রজন্ম ইতিবাচক ও সহনশীল রাজনীতি দেখতে চায়। আজকের এই আয়োজন আমাদের মাঝে সেই আশাই জাগিয়েছে। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে কাছে টেনে নেওয়ার বিষয়টি খুব ভালো লেগেছে।”
দিনমজুর মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, “আমরা গরিব মানুষ সাধারণত বড় নেতাদের কাছে যেতে পারি না। কিন্তু আজ এমপি সাহেব নিজে এসে আমাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন এবং মিষ্টিমুখ করিয়েছেন। এতে আমরা খুব আনন্দিত হয়েছি।”
স্থানীয়দের মতে, ঈদের দিনে রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্প্রীতির এমন আয়োজন বাউফলে ইতিবাচক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনপ্রতিনিধির এমন আন্তরিক সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
কেকে/এলএ