মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      চীন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
খোলাকাগজ স্পেশাল
ফিরতি যাত্রায়ও ঝরছে প্রাণ
রোকন উদ্দিন
প্রকাশ: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৯:৪৯ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

সম্প্রতি ঈদযাত্রায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অসংখ্য ঘরমুখো মানুষ। নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছাতে সড়কে প্রাণ হারাচ্ছেন কেউ কেউ। এবার ঢাকায় কর্মস্থলে ফেরার পথেও সড়কে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। গতকাল রোববার নেত্রকোণা, কুষ্টিয়া, চাঁদপুর, ফরিদপুর, গাইবান্ধা, সিলেট, লালমনিরহাট, টাঙ্গাইল ও বগুড়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও দুই মেয়েসহ অন্তত ১১ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এ ছাড়া গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নেত্রকোণায় সবচেয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নেত্রকোণা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চল্লিশা বাইপাস মোড় এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার যাত্রী মা ও তার দুই মেয়ে নিহত হন। নিহতরা হলেন— সদর উপজেলার আমলী কেশবপুর গ্রামের নূর জাহান (৪৫), তার মেয়ে স্মৃতি আক্তার (১৫) ও ইতি আক্তার (১২)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোণাগামী মহুয়া পরিবহনের একটি বাস অটোরিকশাটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নূর জাহানের স্বামী আইনুল হকসহ আরও পাঁচজন আহত হন। আহতদের নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

অন্যদিকে, কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়ায় সেনা সদস্যদের বহনকারী একটি বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত এবং অন্তত ৩২ জন আহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের তালবাড়িয়া উচ্চবিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ইকবাল হাসান জানান, ৩২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এদিকে, চাঁদপুর সদর উপজেলার গাছতলা বাদামতলী এলাকায় পিকআপ ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মির্জা জোহা (১৮) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুর দেড়টার দিকে চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জোহা ও তার সঙ্গী সাজ্জিল মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই জোহার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের শুকনো খাদে উল্টে পড়ে অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন। রোববার কাইচাইল ইউনিয়নের ঝাটুরদিয়া বাজার-সংলগ্ন এলাকায় ‘আল বরাক’ পরিবহনের একটি বাস এ দুর্ঘটনার শিকার হয়।

এদিকে, সিলেটের ওসমানীনগরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসকে পেছন থেকে অপর একটি বাস ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হয়েছেন। রোববার ভোরে উপজেলার তাজপুর বাজারের পূর্ব পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— যাত্রীবাহী ‘যাতায়াত’ পরিবহনের বাসচালক সোহেল (৩০) ও তার হেলপার ইমন (২০)।

এ ছাড়া গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী-গাইবান্ধা সড়কের থুটিয়াপুকুর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একজন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। রোববার সকালে ঢাকা থেকে গাইবান্ধাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে গাইবান্ধাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের চালক বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক নারী যাত্রী নিহত এবং আরও ১২ জন যাত্রী আহত হন। নিহত রিক্তা খাতুন (২৭) জেলার সদর উপজেলার সাহারবাজার এলাকার বাসিন্দা আজিজাল হকের স্ত্রী।

অন্যদিকে, বগুড়ার শেরপুরে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় আলহাজ উদ্দিন (২২) নামের সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে উপজেলার মির্জাপুর ফ্লাইওভার ব্রিজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আলহাজ উদ্দিন উপজেলার রানীরহাট এলাকার লাউচা গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে।

এ ছাড়া লালমনিরহাটের আদিতমারীতে ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবলের মোটরসাইকেল থেকে পড়ে তানিয়া (২০) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে লালমনিরহাট-চাপারহাট বাইপাস সড়কের আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ি ইউনিয়নের জামতলা মাদ্রাসা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তানিয়া কালীগঞ্জ উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের অচিনতলা গ্রামের চাঁন মিয়ার মেয়ে। আর আহত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল মমিন আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নতুন বাইপাস রোডে বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সুরুজ আকন্দ (৩০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পশ্চিম ভূঞাপুর নতুন বাইপাস রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুরুজ আকন্দ উপজেলার পশ্চিম ভূঞাপুর গ্রামের কালু আকন্দের ছেলে।

এদিকে, ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা ও তার শিশু ছেলে নিহত হয়েছেন। গত শনিবার সকাল নয়টার দিকে ময়মনসিংহ-হালুয়াঘাট সড়কের আলালপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন— হালুয়াঘাট উপজেলার বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) ও তার চার বছর বয়সী ছেলে রোহান মিয়া। জাহাঙ্গীর আলম ভালুকা উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় কাপড়ের ব্যবসা করতেন এবং পরিবার নিয়ে সেখানে বসবাস করতেন।

ঈদের দিনে সড়কে ২২ জন নিহত

ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার সারা দেশের ১২টি জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২২ জন নিহত এবং অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে শিশু, কিশোর ও নারীসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ রয়েছেন। গোপালগঞ্জে সবচেয়ে বেশি ছয়জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন সদস্য রয়েছেন। চট্টগ্রাম ও নাটোরে তিনজন করে এবং দিনাজপুর, পটুয়াখালী, ফরিদপুর ও টাঙ্গাইলে দুজন করে নিহত হয়েছেন। গাইবান্ধা, নারায়ণগঞ্জ, নড়াইল ও মাদারীপুরে একজন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অধিকাংশ দুর্ঘটনায় অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া যানচালনা প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ঈদের আগে একদিনে ৩২ জনের প্রাণহানি

ঈদুল আজহার পূর্বে গত সোমবার সড়ক দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইলে ১৭ জনসহ সারা দেশে ৩২ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, বগুড়া, মুন্সীগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা ও গোপালগঞ্জে পৃথক স্থানে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ১৭ জন, সিরাজগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মা-মেয়েসহ তিনজন, কিশোরগঞ্জে তিনজন, বগুড়ায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-মেয়ে এবং মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও গোপালগঞ্জে একজন করে নিহত হয়েছেন।

ঈদের ছুটিতে বগুড়ার সড়কে ঝরল ১৪ প্রাণ

ঈদুল আজহার আনন্দে স্বজনদের কাছে ফেরা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হওয়া— এমন নানা কারণে সড়কে নেমেছিলেন অনেকে। তবে গন্তব্যে পৌঁছানো হয়নি সবার। ঈদের ছুটি শুরুর পর গত ছয় দিনে বগুড়ার বিভিন্ন সড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৪ জন। নিহতদের মধ্যে আটজনই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৫ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত শাজাহানপুর, কাহালু, শেরপুর, নন্দীগ্রাম ও শিবগঞ্জ উপজেলায় অন্তত আটটি বড় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন বাবা-মেয়ে, মা-মেয়ে, পাঁচজন বন্ধু, একজন প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।

সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাগুলোর একটি ঘটে ২৫ মে সকালে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের শাজাহানপুর উপজেলার বনানী এলাকায়। রংপুর থেকে মোটরসাইকেলে স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী কন্যাকে নিয়ে পাবনায় গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিলেন ব্র্যাক কর্মী আনিছুর রহমান। পথে অজ্ঞাত একটি যানের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি ও তার কন্যা পুষ্প। গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী আয়েশা বেগম।

একই দিন বিকেলে কাহালু উপজেলার কাজিপাড়া এলাকায় বাসের ধাক্কায় রিকশা-ভ্যানে থাকা জেমি আক্তার ও তার মেয়ে তনু আক্তার নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন ভ্যানচালক।

২৭ মে ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত কাহালু ও নন্দীগ্রামে পৃথক তিনটি দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হন। কাহালুর বউবাজার এলাকায় পাংচার হওয়া একটি বাসকে পেছন থেকে ট্রাক ধাক্কা দিলে বাসের সুপারভাইজার উত্তম মণ্ডল ও ট্রাকের সহকারী হৃদয় নিহত হন। একই উপজেলার ভ্যাপরা এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারান শ্রমিক রবিউল আউয়াল (জিয়া)। নন্দীগ্রামের ফোকপাল এলাকায় দুটি বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত হন ট্রাকের সহকারী ইনজামাম।

ঈদের দিন রাতে শেরপুর-ধুনট আঞ্চলিক সড়কের শুভগাছা এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই বন্ধু আবু রায়হান ও তামিম হোসেন নিহত হন। আহত হন আরও চারজন।

২৯ মে সন্ধ্যায় কাহালুর বারোমাইল এলাকায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হন তিন বন্ধু রাহিম, অপূর্ব ও প্রেম। স্থানীয়দের ভাষ্য, বৃষ্টির মধ্যে উচ্চগতিতে মোটরসাইকেল চালানোর সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন আরও দুজন।

পরদিন রাতে শিবগঞ্জ পৌরসভার লালদহ এলাকায় আলুবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হন মোটরসাইকেল আরোহী আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক (৫৬)। তিনি বগুড়া সদর উপজেলার চকহবিবেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক পালিয়ে যান।

এ ছাড়া ছয় দিনের এসব ঘটনায় নিহতদের বড় একটি অংশ তরুণ। কেউ ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে বের হয়েছিলেন, আবার কেউ কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। অধিকাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ চালনা এবং সড়ক নিরাপত্তাবিধি অমান্যের বিষয়টি সামনে এসেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর নজরদারি ও সচেতনতা বাড়ানো জরুরি, বিশেষ করে মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রে।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  যাত্রা   প্রাণ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close