কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, ‘সীমান্তে বিজিবি হবে জনগণের আস্থার প্রতীক। জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিজিবি সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।’
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন, চাল, শিশুদের খেলনা সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এ সময় নিজ হাতে উপকারভোগীদের মাঝে এসব উপহার সামগ্রী তুলে দেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় সাম্প্রতিক ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের ঘটনাগুলো অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এসব ঘটনায় যারা প্রাণ হারাচ্ছেন, তারা কারো বাবা, ভাই কিংবা পরিবারের প্রিয়জন। তাই মাইন পুঁতে রাখার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাইন সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পাওয়া গেলে বিজিবি তা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
অধিনায়ক আরও জানান, সীমান্ত এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোও বিজিবির অন্যতম দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক রিমন রুদ্র, ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মঈন উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হায়দার আলী কোম্পানিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত অসহায় মানুষের জন্য ৩৪ বিজিবির এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এতে একদিকে যেমন দরিদ্র পরিবারগুলো উপকৃত হয়েছে, অন্যদিকে সীমান্ত জনপদের মানুষের সঙ্গে বিজিবির পারস্পরিক আস্থা ও সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কেকে/ এমএস