মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ ও সেই ভিডিও যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত নাম ইসমম (১৯) উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।
জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। তার মা গৃহকর্মীর কাজ করেন এবং বড়বোন স্থানীয় একটি শিল্পকারখানায় চাকরি করেন। পরিবারের সদস্যরা কাজের সূত্রে বাইরে থাকার সুযোগে প্রায় পাঁচমাস আগে প্রতিবেশী ইসমম দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মেয়েটিকে প্রথমে ধর্ষণ করে এবং মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে রাখে।
সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আবারও একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরবর্তী ইসমমের বন্ধু মারুফ (১৯) ও অহিদুল সেই ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে স্বজনরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তারী পরীক্ষায় প্রায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানায় চিকিৎসক।
ভুক্তভোগীর পরিবার এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ইসমমসহ তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নকীব আকরাম হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী কিশোরীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কেকে/এআই