মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে একটি ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ফেরদৌস হোসেন (৩১) ও কন্নাল মিয়া ওরফে জয়নাল (৩৯) নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি চুরি যাওয়া দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৩ জুন ভোররাতে মৌলভীবাজার শহরের উত্তর কলিমাবাদ এলাকার একটি ভাড়া বাসায় স্বামী-পরিত্যক্তা এক শ্রমজীবী নারী তার শিশু কন্যাকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তিনজন দুষ্কৃতিকারী কৌশলে ঘরের দরজার সিটকানি খুলে মুখোশ পরিহিত অবস্থায় কক্ষে প্রবেশ করে। তারা ভুক্তভোগী নারীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং তাদের মধ্যে দুইজন তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। অপর একজন দুষ্কৃতিকারী ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজুর পর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় সদর মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।
তদন্তের এক পর্যায়ে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকা থেকে ফেরদৌস নামে এক আসামিকে এবং মৌলভীবাজার শহরের উত্তর কলিমাবাদ এলাকা থেকে জয়নাল ওরফে কন্নাল নামে অপর এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে ঘটনার সময় চুরি হওয়া দুটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।
মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি ফেরদৌসের বিরুদ্ধে চুরিসহ মোট চারটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কেকে/ এমএস