কঠিন সময়ে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উচ্চাভিলাষী হলেও বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী সংগঠন, অর্থনীতিবিদ ও রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, উচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের পথে ফিরিয়ে আনতে হলে এনবিআরের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কাঠামোগত সংস্কার, সুশাসন, প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রকৃত অর্থে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। কর প্রশাসনে দুর্নীতি, হয়রানি ও অনিয়ম রাজস্ব আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সৎ করদাতাদের নিরুৎসাহিত করে। ফলে করের আওতা সম্প্রসারণ ও রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়ে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে নীতিগত স্থিতিশীলতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানো জরুরি বলে মনে করছেন তারা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এনবিআরের কার্যক্রমে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল পদ্ধতির সম্প্রসারণ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে রাজস্ব আহরণ বাড়বে। একইসঙ্গে করদাতাবান্ধব পরিবেশ তৈরি হলে স্বেচ্ছায় কর পরিশোধের প্রবণতাও বৃদ্ধি পাবে, যা বাজেট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেছেন, রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতা শুধু কর প্রশাসনের বিষয় নয়, বরং এটি সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন। কর অবকাশ, করহার যৌক্তিকীকরণ এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতির মাধ্যমে অর্থনীতিকে গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ সফল হলে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়বে, শিল্প উৎপাদন সম্প্রসারিত হবে এবং রাজস্ব আহরণও বৃদ্ধি পাবে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই অর্থনীতিতে কাক্সিক্ষত গতি নেই। বিনিয়োগে স্থবিরতা, ব্যাংক খাতের চাপ, খেলাপি ঋণের বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীদের আস্থার সংকট উৎপাদন ও ভোগব্যয় উভয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফলে করযোগ্য আয় প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে না। তাই করভিত্তি সম্প্রসারণ ছাড়া শুধু করহার বৃদ্ধি বা উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া কঠিন হবে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনের মতে, প্রতি বছরই উচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে তা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার ফলে শেষ প্রান্তিকে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নতি ছাড়া আগামী অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্য অর্জন অত্যন্ত কঠিন হবে।
তার মতে, করজাল এখনো পর্যাপ্ত বিস্তৃত হয়নি এবং এনবিআরের ডিজিটালাইজেশন ও কাঠামোগত সংস্কার প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়নি। ফলে বিদ্যমান সক্ষমতা দিয়ে এত উচ্চ প্রবৃদ্ধির রাজস্ব লক্ষ্য বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন সক্ষমতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বন্ধ ও অসুস্থ শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর শিল্প মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। এ উদ্যোগকে সহায়তা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। তবে প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা যাতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ও উৎপাদনমুখী উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছায়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
তাদের মতে, অতীতে অনেক ক্ষেত্রেই প্রণোদনা ও ঋণ সুবিধা সীমিত সংখ্যক বড় গ্রুপের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যাশিত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাই এবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে প্রকৃত সংকটে থাকা বন্ধ ও অসুস্থ শিল্পকারখানাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, সঠিকভাবে এই তহবিল বিতরণ করা গেলে শিল্প খাত পুনরুজ্জীবিত হওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি ফিরে আসবে।
বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চাভিলাষী এই বাজেট বাস্তবায়নের মূল চাবিকাঠি হলো সুশাসন, কাঠামোগত সংস্কার, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং কার্যকর প্রশাসনিক সক্ষমতা। এসব ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জিত হলে শুধু রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাই নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যও অর্জন করা সম্ভব হবে।
তাদের মতে, বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারি আমলাতন্ত্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাজেটে ঘোষিত বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মসূচি ও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবে বাস্তবায়নের দায়িত্ব মূলত প্রশাসনের ওপরই বর্তায়। দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তারা দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন, অর্থ ছাড় এবং কার্যক্রম তদারকি নিশ্চিত করতে পারলে বাজেটের লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাজেট ইতিবাচক বার্তা দিলেও রাজস্ব আদায় এবং কার্যকর বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট এন কে এ মবিন এফসিএ বলেন, সরকার রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ডিজিটাল রূপান্তর, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতি গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি এবং কর ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, সরকার, ব্যবসায়িক সম্প্রদায় এবং পেশাজীবীদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ও টেকসই ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে।
সংগঠনটির মতে, বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকিং খাত থেকে প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ সংকুচিত করতে পারে, যা বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এছাড়া খুচরা বিক্রেতাদের বিক্রির ওপর ০ দশমিক ২ শতাংশ অগ্রিম কর আরোপের কারণে মূল্যস্ফীতির ওপরও চাপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আইসিএবি।
রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কর নির্ধারণ, আপিল এবং ট্রাইব্যুনাল পর্যায়ে অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। একইসঙ্গে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা মোকাবিলায় অডিট ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) মনে করে, বাজেটের আকার বড় হলেও তা বাস্তবায়ন অসম্ভব নয়। তবে এর জন্য প্রয়োজন দূরদর্শিতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং জবাবদিহিতা। সংগঠনটির মতে, বিনিয়োগবান্ধব অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো কার্যকর করা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, নতুন বাজার অনুসন্ধান, তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমানোর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে হবে।
এফবিসিসিআই আরও বলেছে, পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেটকে শক্তিশালী করা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, ব্যাংকিং খাতে সংস্কার, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ এবং সুদের হার কমানো জরুরি। একইসঙ্গে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ, কার্যকর সরবরাহ ব্যবস্থা এবং মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল সংক্রান্ত আইনি কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংগঠনটি। সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকেও বাস্তব রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।
বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেছেন, তৈরি পোশাক খাতের প্রধান দুটি প্রত্যাশা ছিল করব্যবস্থার সংস্কার এবং জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার আমদানি সহজীকরণ, যা বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে। রপ্তানিমুখী শিল্পের বিদ্যমান সুবিধা বহাল রাখা, প্রণোদনার মেয়াদ বৃদ্ধি এবং নন-বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল আমদানির সুযোগকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবার আমদানিতে ৫ শতাংশ কর আরোপ, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সুনির্দিষ্ট উদ্যোগের অভাব এবং উচ্চ ঋণসুদকে শিল্প ও বিনিয়োগের বড় বাধা হতে পারে। এছাড়া করজাল সম্প্রসারণ ছাড়া ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে। এতে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাজেটের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়ন, সহজ অর্থায়ন এবং শিল্প পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিমুখী উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নের ওপর।
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেছে। তবে সংগঠনটি সতর্ক করে বলেছে, প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চেষ্টা বিদ্যমান করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ এবং হয়রানির কারণ হতে পারে।
এমসিসিআইর মতে, করহার বৃদ্ধি বা বিদ্যমান করদাতাদের ওপর চাপ বাড়ানোর পরিবর্তে করজাল সম্প্রসারণ, কর প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশন এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে রাজস্ব আহরণ যেমন বাড়বে, তেমনি ব্যবসায়ীদের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপও কমবে।
এদিকে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান বিনিয়োগ গন্তব্যে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বর্তমান সরকার। নীতিনির্ধারকরা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, টেকসই সংস্কার এবং আর্থিকসহ প্রতিটি খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সরকারের বিভিন্ন নীতি ও প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন তদারকির জন্য পৃথক কমিশনও গঠন করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি’ বিষয়ক সম্মেলনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। সম্মেলনে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণকে কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ, সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
কেকে/ এমএস