নক আউট পর্বে জাপান এক পা দিয়ে রেখেছিল আগেই। বাকি ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতা। পরবর্তী রাউন্ডে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করতে জাপানের শুধু সুইডেনের বিপক্ষে একটি ড্র-ই যথেষ্ট ছিল। অন্যদিকে, নকআউট পর্বে নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য সুইডেনেরও প্রয়োজন ছিল একটি ড্র। নিজেদের মিশনে দুই দলই সাকসেসফুল।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকে জাপান ও সুইডেনের লড়াই। প্রথমার্ধে কেউ গোল করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে প্রথমে সুইডেন লিড নেয়। জাপান মুহূর্তেই ফেরায় সমতায়। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলেই তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ম্যাচটা শেষ হয়।
আর এই ড্রয়ে জাপান ও সুইডেনের, দুই দলেরই রাউন্ড অব সিক্সটিন নিশ্চিত হয়ে গেছে। ৩ ম্যাচে জাপানের ড্র ২টি। জয় ১টি। পয়েন্ট ৫। অন্যদিকে তৃতীয় দল হিসেবে সুইডেন গেল বত্রিশে। ৩ ম্যাচে ১টি করে জয়, হার ও ড্র আছে তাদের। পয়েন্ট ৪।
রাউন্ড অব সিক্সটিনে ব্রাজিলের সঙ্গে খেলবে জাপান। হিউস্টনে ২৯ জুন হবে দুই দলের ম্যাচ। একই দিনে নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোও একে অপরের মুখোমুখি হবে। সুইডেনের প্রতিপক্ষ কে হবে তা জানতে আরেকটু সময় অপেক্ষা করতে হবে। তবে সাম্ভাব্য পাঁচটি দলের একটি তো হবেই, ফ্রান্স, নরওয়ে, জার্মানি, মেক্সিকো এবং সুইজারল্যান্ড।
বল দখল, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে দুই দলের প্রথমার্ধের লড়াই সীমাবদ্ধ ছিল। ফিনিশিংয়ে দুই দল ভালো করতে না পারায় গোল পায়নি। গোলের অপেক্ষা দূর হয় দ্বিতীয়ার্দের ৫৬ মিনিটে। ডাইজেন মেদা ডানপায়ের কোনাকুনি শট নিয়ে বল জালে জড়ান। তাকে বল বাড়িয়েছিলেন রিটসু দোয়ান। লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি সুইডেন। ৬২ মিনিট অ্যানথোনি এলাঙ্গা বামপাশে শট নেন বক্সের বাইরে থেকে। লেফট কর্ণার দিয়ে বল খুঁজে পায় জালের ঠিকানা। ভিক্টোর গয়োকেরেস অ্যাসিস্টে ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন এলাঙ্গা। সময় নিয়ে শট নেওয়ায় গোল পেতে সমস্যা হয়নি তার।
সমতায় আসার পর দুই দলের তেজ আস্তে আস্তে কমতে থাকে। ম্যাচের সাম্ভাব্য ফলাফল এবং রাউন্ড অব সিক্সটিন নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় শেষ দিকে লড়াইয়ের আমেজও কমে আসে।
কেকে/এলএ