মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দারুণ বোলিং নৈপুণ্যে বড় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। বাংলাদেশের দেওয়া ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় রাকিবুল হাসান ও রুবেল হাসানের ঘূর্ণিতে মাত্র ৬৯ রানেই গুটিয়ে যায় মালয়েশিয়া। ফলে ৮৯ রানের জয় পায় স্বাগতিকরা।
আজ শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের দেওয়া ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভার থেকেই চাপে পড়ে মালয়েশিয়া।
ইনিংসের প্রথম বলেই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাজমুস সাকিবকে ফেরান আবু হায়দার রনি। মালয়েশিয়ায় কাজ করতে গিয়ে দেশটির নাগরিকত্ব পাওয়া সাকিব বর্তমানে জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলতে নেমেই গোল্ডেন ডাকের শিকার হন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। পরের ওভারে আরেক ওপেনার আসলাম খানকে ফেরান অফস্পিনার রুবেল হাসান। এরপর একের পর এক আক্রমণে মালয়েশিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ এলোমেলো করে দেন বাংলাদেশের বোলাররা। বিশেষ করে অফস্পিনার রুবেল ও বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল ছিলেন দুর্দান্ত। তাদের ঘূর্ণি সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেয়েছেন মালয়েশিয়ার ব্যাটাররা।
দলের ব্যাটারদের মধ্যে কেবল লড়াই করতে পেরেছেন আহমেদ আকিল। ২৫ বলে ২৯ রান করেন তিনি। এ ছাড়া মোহাম্মদ আমির করেন ১৫ রান। বল হাতে সাফল্য পাওয়া বিজয় উন্নি ব্যাট হাতে করেন ১৪ রান। শেষ পর্যন্ত ১৬ ওভারে ৬৯ রানেই গুটিয়ে যায় মালয়েশিয়ার ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন দুই স্পিনার। রুবেল হাসান ৩ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। রাকিবুল হাসান ২ ওভারে মাত্র ২ রান খরচ করে শিকার করেন ২ উইকেট। এ ছাড়া আবু হায়দার রনি, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, মেহরাব হাসান ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী একটি করে উইকেট নেন।
এদিকে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ এইচপি। জিশান আলম ৭ বলে কোনো রান না করেই ফিরেছেন। এরপর আরিফুল ইসলাম ১২ বলে ১৫ এবং সাব্বির রহমান ১২ বলে ১৪ রান করে আউট হন। উইকেটরক্ষক প্রীতম কুমারের ব্যাট থেকেও আসে মাত্র ৪ রান।
তবে মাঝের দিকে পাল্টা লড়াই গড়ে দেন এস এম মেহেরব ও আবদুল গফফার সাকলাইন। মেহেরব মাত্র ২২ বলে ৪০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন।
তার ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ২টি ছক্কা। সাকলাইন ২৬ বলে ৩২ রান করেন, মেরেছেন ১টি চার ও ৩টি ছক্কা। এছাড়া টপ অর্ডার ব্যাটারদের মধ্যেওপেনার জাওয়াদ আবরারের খেলেন ১৮ বলে ২৮ রানের ইনিংস।
মালয়েশিয়ার বোলারদের মধ্যে বিজয় উন্নি নেন তিন উইকেট। এছাড়া শারভিন মুনিয়ান্দি ও সৈয়দ জুনাইদ খান নেন দুইটি করে উইকেট।
কেকে/এমএ