বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬,
২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: রাষ্ট্র পরিচালনায় সংযমের বার্তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী      কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ      ১৬ জেলায় বন্যার শঙ্কা      বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা      ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি করল সরকার      গ্রামপর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার      এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলার নিন্দা, দোষীদের শাস্তির দাবি      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
সংবিধানের স্থানীয় সরকার, বাস্তবের ক্ষমতাহীন প্রতিষ্ঠান
রাসেল আহমদ
প্রকাশ: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৯ এএম আপডেট: ০৮.০৭.২০২৬ ১০:৫৯ এএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রশাসনিক বৈপরীত্যগুলোর একটি হলো- যে স্থানীয় সরকারকে সংবিধান রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, সেই স্থানীয় সরকারই বাস্তবে সবচেয়ে ক্ষমতাহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। জনগণের সবচেয়ে নিকটবর্তী নির্বাচিত প্রতিনিধিরা স্থানীয় উন্নয়ন, জনসেবা ও নাগরিক সমস্যার সমাধানের দায় বহন করেন। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষমতা, প্রাতিষ্ঠানিক জনবল, অর্থ এবং প্রশাসনিক স্বাধীনতা তাদের হাতে নেই। ফলে স্থানীয় সরকারব্যবস্থা আজ এমন এক কাঠামোয় পরিণত হয়েছে, যেখানে জবাবদিহি আছে, কিন্তু কর্তৃত্ব নেই; দায়িত্ব আছে, কিন্তু ক্ষমতা নেই।

সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য, বাংলাদেশে ৪ হাজার ৫৯৯টি  ইউনিয়ন পরিষদ দেশের কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সেবা ও উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এটি বাংলাদেশের একেবারে তৃণমূল বা প্রান্তিক পর্যায়ে সেবা প্রদানকারী প্রধান স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের সবচেয়ে বিস্তৃত ও জনগণের সবচেয়ে কাছের এই প্রতিষ্ঠান কার্যকর হলে উন্নয়ন ও সুশাসনের ভিত্তি শক্তিশালী হতে পারে। আর দুর্বল হলে তার প্রভাব পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর পড়বে, এটাই স্বাভাবিক। তাই ইউনিয়ন পরিষদ শুধুই একটি প্রশাসনিক ইউনিট নয়; এটি গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদ স্থানীয় সরকার সম্পর্কে রাষ্ট্রের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছে। সেখানে নির্বাচিত ১৩ জন প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত স্থানীয় সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটির ওপর নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার শাসনের দায়িত্ব ন্যস্ত করা, ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা, জনশৃঙ্খলা রক্ষা, কর আরোপ, বাজেট প্রস্তুত এবং নিজস্ব তহবিল পরিচালনার ক্ষমতা প্রদানের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ সংবিধান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় ইউনিয়ন পরিষদকে কেবল একটি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং স্থানীয় পর্যায়ের শক্তিশালী সরকার হিসেবেই কল্পনা করেছে।

কিন্তু স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পরও সেই সাংবিধানিক অঙ্গীকার পূর্ণ বাস্তবতা লাভ করেনি। ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি প্রায় সব রাজনৈতিক দলই দিয়েছে, কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে কেউই প্রকৃত অর্থে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণে আগ্রহ দেখায়নি। ফলে ক্ষমতা, সম্পদ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কর্তৃত্ব কেন্দ্রীয় প্রশাসনের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে; আর ইউনিয়ন পরিষদগুলো সীমিত ক্ষমতার মধ্যে অসীম প্রত্যাশার বোঝা বহন করে চলেছে।

বিকেন্দ্রীকরণের মূল দর্শন হলো- ‘যেখানে সমস্যা, সেখানেই সমাধান’। স্থানীয় মানুষের সমস্যা সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জানেন স্থানীয় মানুষ এবং তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। পৃথিবীর অধিকাংশ সফল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এই নীতিকেই অনুসরণ করে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো এমন একটি প্রশাসনিক সংস্কৃতি বিদ্যমান, যেখানে স্থানীয় সিদ্ধান্তের চেয়ে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলাফল হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ সাংবিধানিক মর্যাদা পেলেও বাস্তব ক্ষমতায় পিছিয়ে রয়েছে।

দুই মেয়াদে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমি এই বাস্তবতাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। সাধারণ মানুষ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকেই রাষ্ট্রের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করেন। গ্রামের রাস্তা ভেঙে গেলে, জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে, কৃষকের সমস্যা দেখা দিলে, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নিয়ে অভিযোগ উঠলে কিংবা কোনো উন্নয়নকাজে জটিলতা দেখা দিলে, পারিবারিক কলহ থেকে সমাজের প্রায় সকল সংকটে মানুষ চেয়ারম্যান-মেম্বারের কাছেই আসে। কিন্তু যেসব সমস্যার জন্য আমাদেরকে জবাবদিহি করতে হয়, সেসবের অধিকাংশের কার্যকর প্রশাসনিক ক্ষমতা আমাদের হাতে থাকে না।

অনেক সময় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি কিংবা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নিয়ে জনগণের অভিযোগ শুনতে হয় আমাকে; অথচ এসকল খাত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারী কিংবা বাজেটের ওপর ইউনিয়ন পরিষদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। ফলে জনগণের প্রত্যাশা ও জনপ্রতিনিধির ক্ষমতার মধ্যে একটি স্থায়ী বৈপরীত্য তৈরি হয়। জনগণ চেয়ারম্যান- মেম্বারকে দায়ী করে। কিন্তু সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ হাতে না থাকায়, ব্যর্থতার দায় আমাকে বা আমাদের বহন করতে হয়। এখানেই ইউনিয়ন পরিষদ তথা বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সংকট নিহিত।

এই সংকটকে এক বাক্যে সংক্ষেপ করলে বলতে হয়- দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কর্মী, অর্থ ও স্বাধীনতা দেওয়া হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি কার্যকর স্থানীয় সরকারের চারটি মৌলিক ভিত্তি থাকে- কাজ (ঋঁহপঃরড়হ), কর্মী (ঋঁহপঃরড়হধৎু), অর্থ বা সম্পদ (ঋঁহফ) এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা (ঋৎববফড়স)। কিন্তু বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় বিশেষকরে ইউনিয়ন পরিষদকে কাজের দায়িত্ব অর্পণ করা হলেও বাকি তিনটি উপাদানই এখনও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ আইনে একটি ইউনিয়ন পরিষদের ১০টি বাধ্যতামূলক ও ৩৯টি ঐচ্ছিক দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আরোপিত এসব দায়িত্বের মধ্যে- ‘আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের অর্পিত দায়িত্ব পালন ও প্রয়োজনীয় কাযক্রম গ্রহণ’  বা ‘সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে আরোপিত দায়িত্ববলি পালন’ জাতীয় দায়িত্ব মূলত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের আমলাতন্ত্রে কাঠামোভুক্ত করে। স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সহায়তা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক সম্প্রীতি, নারী ও শিশু উন্নয়ন, স্থানীয় অবকাঠামো নির্মাণ, দারিদ্র্য বিমোচনসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ কাজ এসব দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক সনদ প্রদান, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির তালিকা প্রস্তুত, কিছু ক্ষুদ্র অবকাঠামো নির্মাণ এবং সালিশ-নিষ্পত্তির মতো কাজে।

আমি দেখেছি, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে, শিক্ষা বিভাগের কর্মীরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে, কৃষি বিভাগের কর্মীরা কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হন। একইভাবে অন্যান্য খাতের ক্ষেত্রেও সিদ্ধান্ত গ্রহণ, জনবল ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক নিয়ন্ত্রণ ইউনিয়ন পরিষদের বাইরে অবস্থান করে। ফলে এসব বিভাগের বিভিন্ন কাজের দায়ভার বহন করলেও কাজ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্বান্তগ্রহণের ক্ষমতা এবং উপকরণ হাতে থাকে না।

বাস্তব অভিজ্ঞতায় আরও দেখেছি, অনেক ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদকে এমন কাজ বাস্তবায়ন করতে হয়, যার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ বাস্তব প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ফলে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো একদিকে জনগণের প্রত্যাশার চাপ, অন্যদিকে সীমিত সম্পদের বাস্তবতার মধ্যে পড়ে যায়। এই অবস্থায় দক্ষতা, জবাবদিহিতা ও সেবার মান- সবকিছুই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদগুলো দীর্ঘদিন ধরে মাঠপ্রশাসনের অধস্তন অবস্থানে পরিচালিত হয়েছে। এর ফলে স্বাধীন নেতৃত্বের বিকাশের পরিবর্তে একটি অধস্তনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।

অন্যদিকে অতিরিক্ত রাজনৈতিক প্রভাব ও পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক সংস্কৃতি অনেক ক্ষেত্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রশাসনিক চর্চাকেও দুর্বল করেছে। এই দুই প্রবণতা মিলেই ইউনিয়ন পরিষদকে একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। অথচ বিশ্বের অভিজ্ঞতা ভিন্ন কথা বলে। ভারতের কেরালা, যুক্তরাজ্যের স্থানীয় কাউন্সিল ব্যবস্থা এবং অন্যান্য বিকেন্দ্রীভূত প্রশাসনিক কাঠামো দেখিয়েছে যে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার রাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং রাষ্ট্রের কার্যকারিতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান উপাদান। উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন পরিকল্পনা জনগণের কাছাকাছি তৈরি হয় এবং বাস্তবায়নের ক্ষমতাও স্থানীয় পর্যায়ে থাকে। 

বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রশ্নে এখন আর ‘পরিপত্র’ বা ‘আদেশ’ দ্বারা নিয়ন্ত্রণমূলক খণ্ডিত উদ্যোগ নয়। প্রয়োজন একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক অঙ্গীকার। সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। 

ইউনিয়ন পরিষদের কাছে কেবল দায়িত্ব নয়, সংশ্লিষ্ট কর্মী, বাজেট এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণও হস্তান্তর করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদকে প্রকৃত স্থানীয় প্রশাসনিক ইউনিটে পরিণত করতে হবে, যেখানে উন্নয়ন পরিকল্পনা, সেবা প্রদান এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানের বাস্তব সক্ষমতা থাকবে।

বাংলাদেশের উন্নয়নের ভবিষ্যৎ কেবল বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পের ওপর নির্ভর করবে না। উন্নয়নের প্রকৃত মানদণ্ড হবে-রাষ্ট্রের সেবা কতটা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পেরেছে।  রাজধানীতে ক্ষমতার আরও কেন্দ্রীকরণ নয়, বরং স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণই হতে পারে আগামী দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সংস্কার।

কারণ একটি রাষ্ট্র তখনই সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক হয়, যখন জনগণের সবচেয়ে নিকটবর্তী প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হয়। স্থানীয় সরকার তথা ইউনিয়ন পরিষদকে দুর্বল রেখে উন্নয়ন সম্ভব হতে পারে, কিন্তু টেকসই গণতন্ত্র সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামোর সবচেয়ে বড় সংস্কার হলো সংবিধানে স্বীকৃত স্থানীয় সরকারকে সত্যিকার অর্থে সরকারে পরিণত করা। ক্ষমতা যখন জনগণের কাছাকাছি যায়, তখনই গণতন্ত্র গভীর হয়; আর ক্ষমতা যখন কেবল কেন্দ্রের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়, তখন গণতন্ত্র কাগজে থাকে, মানুষের জীবনে নয়। 

শেষ কথাটি হলো, জনগনের হাতের সবচেয়ে নাগালে থাকা প্রশাসনিক ইউনিট ‘ইউনিয়ন পরিষদ’কে দুর্বল রেখে কখনোই শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়া যাবে না। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এই সত্যটি যত দ্রুত অনুধাবন করা যাবে, ততই মঙ্গল।

লেখক: সাংবাদিক, ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক

কেকে/এলএ



আরও সংবাদ   বিষয়:  সংবিধান   স্থানীয় সরকার  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close