শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬,
৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: তারেকের ভারত সফর ঘিরে নতুন সমীকরণ      গ্যাস-বিদ্যুতে অচলাবস্থা      আজ শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী      অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি চর্চার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর      ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প      তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে যা বললেন রণধীর জয়সওয়াল      ১৫ আগস্ট ঘিরে নিরাপত্তায় মাঠে থাকছে সোয়াট-বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
তীব্র গ্যাস সংকট, দেশের অর্থনীতিতে অশনিসংকেত
সুলতান মাহমুদ সরকার
প্রকাশ: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০২ পিএম আপডেট: ১৫.০৮.২০২৬ ১২:০৭ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রান্নাঘরের চুলা থেকে শুরু করে দেশের বৃহৎ শিল্পকারখানার ভারী যন্ত্র- সবখানেই আজ একটাই সংকট, গ্যাস সংকট। যে জ্বালানি একসময় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার নিঃশব্দ চালিকাশক্তি ছিল, আজ তার অভাবেই থমকে যাচ্ছে জাতীয় উৎপাদনের চাকা। পরিসংখ্যান বলছে, দেশে স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক প্রায় দুই হাজার ছয়শ থেকে দুই হাজার সাতশ ছয় মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হলেও চলতি সময়ে তা নেমে এসেছে মাত্র দুই হাজার একশ থেকে দুই হাজার একশ পঞ্চাশ মিলিয়ন ঘনফুটে। অথচ দেশের প্রকৃত চাহিদা দৈনিক প্রায় তিন হাজার আটশ মিলিয়ন ঘনফুট। এই বিশাল ব্যবধান শুধু একটি সংখ্যাগত ঘাটতি নয়, এটি একটি জাতির অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যের ওপর নেমে আসা এক নীরব আঘাত, যার প্রভাব দিনে দিনে আরও স্পষ্ট ও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

এই সংকটের প্রকৃত চেহারা বোঝা যায় শিল্পাঞ্চলগুলোর দিকে তাকালে। চট্টগ্রামের শিল্প মালিকেরা তীব্র গ্যাস সংকট আর তার জেরে সৃষ্ট লোডশেডিংয়ে রীতিমতো দিশেহারা। পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাবে দিনের বড় একটা সময় কারখানাগুলো উৎপাদনহীন অবস্থায় পড়ে থাকছে। দেশের বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় শিল্পকারখানার উৎপাদনক্ষমতা নেমে এসেছে স্বাভাবিকের মাত্র বিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশে। ভাবা যায়, যে কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চললে দেশের রপ্তানি আয়ে অবদান রাখত, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করত, শ্রমিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করত সেই কারখানাই আজ অর্ধেকেরও কম সক্ষমতায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে রপ্তানি আদেশ সময়মতো সরবরাহ করতে না পারার ওপর, ক্রেতাদের আস্থা নষ্ট হওয়ার ওপর, আর দীর্ঘমেয়াদে দেশের ভাবমূর্তির ওপর। যে বৈদেশিক মুদ্রা এই শিল্পাঞ্চলগুলো থেকে আসার কথা, তার একটি বড় অংশ আজ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে, আর প্রতিদিনই এই ক্ষতির অঙ্ক বাড়ছে।

সংকটের আঁচ কেবল শিল্পাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই, তা ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও। রাজধানী ঢাকার কলাবাগান, মোহাম্মদপুর, কাফরুল, কাজীপাড়া, পশ্চিম তেজতুরী বাজার, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও দিনের বড় সময় চুলায় আগুনই জ্বলছে না। সিএনজি স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে যানবাহন চালকদের, ফলে সড়কে পরিবহন সংকট তৈরি হচ্ছে, ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা। এই চিত্র শুধু অস্বস্তিকর নয়, এটি জাতীয় অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে সংকটের গভীরতা কতটা বিস্তৃত, তারই প্রতিফলন।

গ্যাস সংকটের সবচেয়ে বিপজ্জনক প্রভাব পড়েছে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে। গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ায় পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না, ফলে দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে লোডশেডিং। বিদ্যুৎ আর গ্যাস এই দুই জ্বালানির সংকট একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়ে এক দুষ্টচক্র তৈরি করেছে। বিদ্যুৎ না থাকলে শিল্পকারখানা চলে না, শিল্পকারখানা না চললে উৎপাদন কমে, উৎপাদন কমলে রপ্তানি কমে, রপ্তানি কমলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় কমে। এভাবেই একটি সংকট আরেকটি সংকটকে ডেকে আনছে, আর পুরো অর্থনীতি একধরনের টালমাটাল অবস্থায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

এত বড় সংকটের পেছনের কারণ খুঁজতে গেলে দেখা যায়, এটি কোনো একক কারণে ঘটেনি, বরং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক দুই স্তরের সমস্যা একসঙ্গে মিলে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। প্রথমত, দেশের নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন ক্রমাগত কমে আসছে। পেট্রোবাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেভরন পরিচালিত দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানার সরবরাহ চলতি বছরের মার্চের প্রথম সপ্তাহে যেখানে দৈনিক আটশ পনেরো থেকে আটশ বিশ মিলিয়ন ঘনফুট ছিল, তা মাত্র সাড়ে চার মাসের ব্যবধানে নেমে এসেছে সাতশ পঞ্চাশ মিলিয়ন ঘনফুটে। একই সময়ে স্থানীয় আরও বেশ কয়েকটি কোম্পানির উৎপাদনও কমেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে প্রতি বছর স্থানীয় গ্যাসের উৎপাদন কমছে প্রায় পনেরো কোটি ঘনফুট, আর পুরনো কূপ সংস্কার করেও প্রত্যাশিত পরিমাণ গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।

দ্বিতীয়ত, এই ঘাটতি পূরণের জন্য দেশ যে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, সেখানেও তৈরি হয়েছে চরম দুর্বলতা। কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় পঁয়তাল্লিশ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। এই একটি ঘটনাই স্পষ্ট করে দিয়েছে, দেশ কতটা ভয়ংকরভাবে একক উৎসের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, গ্যাস খাত দীর্ঘদিন ধরে সুতার ওপর ঝুলছিল, একটি টার্মিনাল বন্ধ হওয়ার পরই তা বড়ভাবে টের পাওয়া যাচ্ছে। স্থলভাগে বিকল্প আরেকটি টার্মিনাল থাকলে হয়তো এই সংকট এড়ানো যেত, কিন্তু বছরের পর বছর ধরে বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হলেও বাস্তবে তার অগ্রগতি হয়নি।

তৃতীয়ত, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলেও দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজি সরবরাহকারী দেশগুলোর সরবরাহ শৃঙ্খলে সৃষ্ট জটিলতা এবং একক উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। মধ্যপ্রাচ্যের একটি নির্দিষ্ট উৎস থেকে সরবরাহে সামান্য ব্যাঘাত ঘটলেই তার প্রভাব সরাসরি এসে পড়ছে দেশের জাতীয় গ্রিডে, কারণ বিকল্প উৎস বা মজুত ব্যবস্থাপনা যথেষ্ট মজবুত নয়। এই একমুখী নির্ভরতাই আজ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

এই তিনটি কারণ একসঙ্গে মিলেই আজকের সংকটকে এত গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী করে তুলেছে। দেশীয় উৎপাদন কমছে, আমদানিনির্ভরতা বাড়ছে, অথচ সেই আমদানির অবকাঠামোও যথেষ্ট মজবুত নয়। ফলাফল হিসেবে দেখা যাচ্ছে, চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ব্যবধান দিন দিন বেড়েই চলেছে, আর এই ব্যবধানের প্রতিটি ঘনফুট গ্যাসের অভাবই রূপান্তরিত হচ্ছে অর্থনৈতিক ক্ষতিতে।

তবে আশার কথা এটাই যে, সরকারি পর্যায়ে সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ একেবারে থেমে নেই। মহেশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মেরামত কাজ শেষ করে আংশিকভাবে সরবরাহ শুরু করা হয়েছে, যদিও পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সম্প্রতি জানিয়েছেন, গ্যাস সরবরাহ সংকটের কারণে সৃষ্ট বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং পরিস্থিতি ধাপে ধাপে উন্নতির দিকে যাবে বলে সরকার আশাবাদী। এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার আওতায় পর্যায়ক্রমে একশটি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে বেগমগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ এলাকায় সাতশ ঊনত্রিশ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি কূপ খননের একটি প্রকল্প অনুমোদনও করা হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ হিসেবে সরকার এলএনজি আমদানির উৎস ও অবকাঠামো বহুমুখী করার দিকেও নজর দিচ্ছে। কক্সবাজারে আরও দুটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এর পাশাপাশি আগামী তিন বছরের মধ্যে আরও তিনটি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে, এবং দীর্ঘমেয়াদে স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণেরও পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যা ভাসমান টার্মিনালের ওপর একচেটিয়া নির্ভরতা কমাবে। জ্বালানি আমদানিতে মধ্যপ্রাচ্যনির্ভরতা কমিয়ে মালয়েশিয়াসহ বিকল্প উৎসের সন্ধানও করছে সরকার, যা সরবরাহ শৃঙ্খলে বৈচিত্র্য আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

তবে বাস্তবতা হলো, এই সব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে সময় লাগবে, আর ততদিনে চলমান সংকট আরও গভীর ক্ষতি করে ফেলতে পারে। তাই তাৎক্ষণিক সমাধানের কোনো জাদুকাঠি সরকারের হাতে নেই বলেই বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হলো, একটিমাত্র উৎস বা একটিমাত্র টার্মিনালের ওপর নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে বহুমুখী উৎসের সুযোগ ও সম্ভাবনা হাতে রাখা। জ্বালানি নিরাপত্তা মানেই কেবল পর্যাপ্ত সরবরাহ নয়, বরং সেই সরবরাহের উৎস কতটা বৈচিত্র্যময় ও স্থিতিস্থাপক, তার ওপরও নির্ভর করে। একটি টার্মিনালে ত্রুটি দেখা দিলে যেন গোটা জাতীয় গ্রিড অচল হয়ে না পড়ে, সেই ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা এখনই গড়ে তোলা প্রয়োজন।

একইসঙ্গে জরুরি দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রের মজুত ব্যবস্থাপনা যথাযথভাবে করা, পুরনো কূপগুলোর উৎপাদনক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের প্রক্রিয়া দ্রুততর করা। পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয়ের ক্ষেত্রেও শিল্প ও আবাসিক উভয় খাতে সচেতনতা বাড়ানো দরকার, যাতে সীমিত সরবরাহকে সর্বোচ্চ কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়। শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সরকারের নিয়মিত সংলাপ চালিয়ে যাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ, যাতে সংকট মোকাবিলার পরিকল্পনায় বাস্তব চাহিদার প্রতিফলন থাকে।

গ্যাস সংকট আজ আর কোনো বিচ্ছিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়, এটি একটি জাতীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে জ্বালানির ওপর ভর করে দেশের কলকারখানা চলে, বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, রপ্তানি আয় আসে, লাখো মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়, সেই জ্বালানির সরবরাহ যদি অনিশ্চিত ও অস্থিতিশীল থেকে যায়, তাহলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। তাই এই মুহূর্তে প্রয়োজন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সমন্বিত ও দ্রুত বাস্তবায়ন, যাতে আজকের এই সংকট আগামীর জন্য একটি বড় শিক্ষা হয়ে থাকে, বিপর্যয় হয়ে না দাঁড়ায়। 

জ্বালানি খাতের এই ভঙ্গুরতা কাটিয়ে উঠতে না পারলে, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা কেবল থমকেই যাবে না, বরং তা পিছিয়েও যেতে পারে বহু বছর। সময় এসেছে এই সংকটকে জাতীয় অগ্রাধিকারের তালিকায় সবার ওপরে রেখে, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়ার।

লেখক: শিক্ষক, গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ

কেকে/এলএ



আরও সংবাদ   বিষয়:  অর্থনীতি   অশনিসংকেত  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close