রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬,
২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: ডোমারে সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও দুই সন্তানসহ নিহত চার      মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশনা      প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, সারা দেশে বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ জন      বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা      ভাঙ্গায় বাসচাপায় নিহত পাঁচ      ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত      রাতের মধ্যে চট্টগ্রামসহ ১৯ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস      
দেশজুড়ে
রামুর বাঁকখালী নদীর ভাঙনে বিলীন ঘরবাড়ি, বিধ্বস্ত সড়ক
​কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪৭ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে বাঁকখালী নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। একই সাথে পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানিতে গ্রামীণ সড়কগুলো ভেঙে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভয়াবহ এই পরিস্থিতি দেখতে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া পরিদর্শনে যাওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কক্সবাজারের সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দুই দপ্তরের প্রধান।

​রোববার (১২ জুলাই) বিকালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইদুজ্জামান সাদেক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম এই আশ্বাসের কথা জানান।

নেজাম উদ্দিন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বাঁকখালী নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বহু মানুষের বসতভিটা ও ঘরবাড়ি। এছাড়া বন্যার পানির তোড়ে গ্রামীণ সড়কগুলোর বিভিন্ন অংশ ভেঙে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এলাকা দুইটির নদী ভাঙন ও সড়কের এই বেহাল দশা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

মো. সাইদুজ্জামান সাদেক বলেন, ‘কক্সবাজারের রামু উপজেলাতে ভারী বর্ষণের ফলে গ্রামীণ সড়কগুলোর ব্যাপক বিপর্যয় ঘটেছে। সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। বৃষ্টি কমলেই ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ সড়কগুলো পরিদর্শনে যাবো এবং দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘বাঁকখালী নদীর মোহনায় কচ্ছপিয়া ও গর্জনিয়া ইউনিয়ন অবস্থিত হওয়ায় ভাঙনের তীব্রতা বেশি। ভারী বর্ষণের কারণে বাঁকখালী নদীতে তীব্র স্রোত সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এই পর্যন্ত অনেক বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে আমাদের একটি টিম ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গেছে। কোথায় কেমন কাজ করতে হবে তা নির্ধারণ করতে আমি নিজেও একবার সরেজমিনে দেখে আসতে চাই।’

​তিনি আরও বলেন, ‘ভাঙন রোধে ইতিমধ্যে কয়েকটি প্রস্তাবনা (প্রপোজল) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। যে সমস্ত এলাকায় জনবসতি রয়েছে এবং ভাঙনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি, সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।’

​সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের প্রধানদের এই আশ্বাসে ভাঙন কবলিত এলাকার বিপন্ন মানুষের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও তারা চান, দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ ও সড়ক সংস্কারের বাস্তবমুখী কাজ শুরু হোক।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  রামু   বাঁকখালী নদীর ভাঙন   বিলীন ঘরবাড়ি   বিধ্বস্ত সড়ক  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close