বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ফুটবল বিশ্বের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের লক্ষ্য টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া, অপরদিকে ইংল্যান্ড চাইছে দীর্ঘ ৬০ বছরের অপেক্ষা ঘুচিয়ে আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালের স্বপ্নকে বাস্তবের আরও কাছে নিয়ে যেতে।
যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। ইতোমধ্যেই ম্যাচকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
দুই দলই পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে রয়েছে। ফলে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও তারকাসমৃদ্ধ দুই দলের এই লড়াইকে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচ হিসেবে দেখছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অপ্টার সুপারকম্পিউটার সামান্য ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে রাখলেও মাঠের লড়াইয়ে অভিজ্ঞতা, মানসিক দৃঢ়তা ও বড় ম্যাচের চাপ সামলানোর সক্ষমতাই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
আর্জেন্টিনার আক্রমণের নেতৃত্বে থাকবেন লিওনেল মেসি। তার সঙ্গে থাকবেন লাউতারো মার্তিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ। মাঝমাঠে এনজো ফার্নান্দেজ ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ওপর থাকবে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের ভরসা অধিনায়ক হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহাম, ডেকলান রাইস ও অ্যান্থনি গর্ডন। তাই ম্যাচটিতে একদিকে থাকবে মেসির অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা, অন্যদিকে বেলিংহামের তারুণ্য, গতি ও আক্রমণাত্মক ফুটবল।
কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও অতিরিক্ত সময়ে জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ধরে রেখে শেষ চারে উঠেছে আর্জেন্টিনা, যা তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে।
কেকে/ এমএস