বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বহুল প্রতীক্ষিত লড়াইয়ের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই দলই সতর্ক ও শৃঙ্খলাপূর্ণ ফুটবল খেললেও মাঝমাঠে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং শারীরিক লড়াই।
প্রথম ৪৫ মিনিটে বলের দখল নিয়ে দুই দলের মধ্যে জমে ওঠে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এ সময় মোট ১৯টি ফাউল হয়, যার মধ্যে আর্জেন্টিনা করেছে ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি।
ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ৩৫তম মিনিটে লিওনেল মেসিকে ফাউল করায় তাকে সতর্ক করেন রেফারি।
এর কয়েক মিনিট পর ইংল্যান্ডের দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থামাতে গিয়ে জেড স্পেন্সের জার্সি টেনে ধরেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। এ কারণে তাকেও হলুদ কার্ড দেখানো হয়। ফলে বিরতিতে গোলের পাশাপাশি হলুদ কার্ডের হিসাবেও সমতায় রয়েছে দুই দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ও শারীরিক ফুটবল উপহার দেয়। ১৯তম মিনিটে ইংল্যান্ড প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করলেও আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ তা দক্ষতার সঙ্গে রুখে দেন। অন্যদিকে কর্নার ও সেটপিস থেকে আর্জেন্টিনাও কয়েকবার চাপ সৃষ্টি করলেও কোনো সুযোগই গোলে পরিণত করতে পারেনি।
প্রথমার্ধে গোলের দেখা না মিললেও ম্যাচের উত্তেজনা ছিল টানটান। ফলে দ্বিতীয়ার্ধে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে দুই দলই আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেকে/ এমএস