বগুড়ার সদর উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার চাচাত ভাই ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোররাতে সদর উপজেলার চালিতাবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আতিকুর রহমান সাগর (৩৫) সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামের শাহাদত মণ্ডলের ছেলে। তিনি সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সক্রিয় কর্মী এবং শাখারিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
পুলিশ জানায়, আতিকুর রহমান সাগরের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, মাদক ও অস্ত্র আইনে দায়ের হওয়াসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাগর স্ত্রী মারজিয়া খাতুনকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি চালিতাবাড়ি গ্রামে বসবাস করতেন। বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পরিবারের সদস্যরা ঘরে খাবার খাওয়ার সময় তিনি বাড়ির উঠানে ছিলেন।
নিহতের স্ত্রী মারজিয়া খাতুনের অভিযোগ, এ সময় সাগরের চাচাত ভাই জুলহাস ও ইসমাইলের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল টিনের গেট ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাগরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তিনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভোর সাড়ে ৩টার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে শাপলা নামে এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
কেকে/ এমএস