শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর      ● রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুল পাঁচ দিনের রিমান্ডে       ● ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার      ● ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আটজনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৭৮২      ● হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু      ● ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর      ● ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ      
দেশজুড়ে
সালথায় পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২৬ হাজার মেট্রিক টন, ন্যায্যমূল্যের দাবি চাষিদের
আবু নাসের হুসাইন, সালথা (ফরিদপুর)
প্রকাশ: রোববার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:১০ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

পাট ও পেঁয়াজে বিখ্যাত ফরিদপুরের সালথায় এবছর সোনালী আঁশ পাট উৎপাদণের লক্ষ্যমাত্রা ২৬ হাজার মেট্রিক টন। এবছর ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। চলছে পাট কর্তন ও আঁশ ছাড়ানোর কাজ। তবে সৃজন শেষে উৎপাদণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিস। 

সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচি নিয়ে সকাল থেকে সারাদিন চাষিরা জমিতে পাট কর্তন করছেন। আবার অনেকেই নদী-নালা ও খাল-বিলে পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছে। স্বপ্নের সোনালী আঁশ পাট ঘরে তোলা নিয়ে কৃষানীরাও ব্যাস্ত সময় পার করছেন। চারিদিকে পাটের গন্ধে ভরে গেছে৷ পাটের ভালো দামের আশায় বুক বাঁধছেন চাষিরা। 

জানা যায়, এই উপজেলার মানুষের আয়ের প্রধান দুটি অর্থকরী ফসল হচ্ছে পাট ও পেঁয়াজ। পাট ও পেঁয়াজ চাষ করে অধিকাংশ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এ বছর পাট উৎপাদনে চাষিদের অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছে। পাট আবাদের শুরুতেই বৃষ্টি না থাকায় সেচের মাধ্যমে বেড়ে ওঠে পাট গাছ। এতে উৎপাদণ খরচ বেড়ে গেছে। তাই পাটের ন্যায্যমুল্যে দাবি চাষিদের।

উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের লোকমান ও আমজেদ শেখ নামে দুই চাষি বলেন, এবছর পাট উৎপাদণে খরচ অনেক বেশি৷ ফলন খুব ভালো হয়েছে, কিন্তু পাটের ন্যায্যমুল্যে পাচ্ছি না। বর্তমানে বাজারে প্রতিমণ পাটের দাম পাচ্ছি ৪ হাজার থেকে ৪ দুইশ টাকা। এদিকে পেঁয়াজের দামও অনেক কম। আর পাটে প্রতিমণ সাড়ে ৫ হাজার টাকা হলে কিছুটা লাভবান হতাম। 

উপজেলা কৃষি অফিসার আহসানুল হাবিব আজাদ জনি বলেন, এবছর উপজেলায় ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। বর্তমানে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে, তাই চাষিরা পাট কর্তন শুরু করেছেন। পাটের ফলন ভালো হচ্ছে, আশা করছি উৎপাদণ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে এবং বাজারে পাটের চাহিদা বাড়বে।

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close