রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬,
১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: হামে আরও চার শিশুর মৃত্যু      গুলশানের বাসায় ফিরলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন      বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন      সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের      সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন আইন অনুযায়ী সব সুবিধা পাবেন       সেনাবাহিনীর পদোন্নতিতে মেধা, যোগ্যতা ও সততাই হবে প্রধান বিবেচনা: প্রধানমন্ত্রী      ইরানে নতুন করে হামলা না করার নির্দেশ ট্রাম্পের      
দেশজুড়ে
শতাধিক ট্যাংকে রঙিন স্বপ্ন, প্রবাসফেরত মামুনের জীবন বদলের গল্প
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৬ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

বাড়ির আঙিনায় সারিবদ্ধ শতাধিক ট্যাংকে লাল, নীল, হলুদ, কমলাসহ নানা রঙের প্রায় ২০ প্রজাতির বাহারি মাছ উৎপাদন করছেন সাখাওত মামুন। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মাছপ্রেমী, নতুন উদ্যোক্তা ও দর্শনার্থীরা তার খামারে আসছেন। অনলাইন ও অফলাইন দুই মাধ্যমেই বিক্রি হচ্ছে এসব মাছ।

মামুন জানান, প্রায় এক যুগ প্রবাসে থাকার পর ২০১৯ সালের শেষ দিকে শখের বশে মাছ চাষ শুরু করেন। শুরুতে বাজার সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না। তবে ধৈর্য, নিয়মিত পরিচর্যা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের মাধ্যমে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে তার ক্রেতা নেটওয়ার্ক।

তিনি বলেন, “মাত্র তিন হাজার টাকা দিয়ে শুরু করেছিলাম। এখন শতাধিক ট্যাংকে ২০ প্রজাতির মাছ উৎপাদন করছি। অল্প পুঁজিতেও তরুণরা এই খাতে সফল হতে পারেন।”

বর্তমানে তিন শতাংশ জমির ওপর গড়ে ওঠা খামারে উন্নত জাতের গাপ্পিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপাদন হচ্ছে। মাছের কিছু খাবার বিদেশ থেকে আনলেও বেশির ভাগ খাবার তিনি নিজেই তৈরি করেন। বিশেষ পদ্ধতিতে প্যাকেজিং করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় জীবন্ত মাছ সরবরাহ করা হয়।

মামুনের দাবি, তার উদ্যোগ দেখে ইতোমধ্যে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জন নতুন উদ্যোক্তা বাহারি মাছ চাষে যুক্ত হয়েছেন। তবে এখনো সরকারি কোনো প্রশিক্ষণ, ঋণ কিংবা কারিগরি সহায়তা পাননি বলে জানান তিনি।

মামুনের বড় ভাই মাসুদ বলেন, “শুরুর দিকে অনেকেই ওকে নিয়ে হাসাহাসি করতেন। কিন্তু সে হাল ছাড়েনি। এখন তার সাফল্য দেখে অনেকেই এই ব্যবসায় আগ্রহী হচ্ছেন।”

স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, “বাহারি মাছের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ এই খামারে মাছ কিনতে ও দেখতে আসছেন।”

কাপাসিয়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জান্নাতুন শাহীন বলেন, “বিষয়টি আগে আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও করণীয় বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close