সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬,
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড : হাসিনাসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল      জাতিসংঘে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ফ্রান্স, প্রচণ্ড বাকযুদ্ধ      বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট ফের শুরু      পাউরুটিতে ক্যানসারের উপাদান ‘পটাশিয়াম ব্রোমেট’ ব্যবহার বন্ধে রিট      চট্টগ্রামে চাঁদা না পেয়ে আরেক ব্যবসায়ীর ভবনে হামলা, ভাঙচুর ও বিস্ফোরণ      হামে আরও চার শিশুর মৃত্যু      গুলশানের বাসায় ফিরলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন      
আন্তর্জাতিক
জাতিসংঘে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ফ্রান্স, প্রচণ্ড বাকযুদ্ধ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৪ এএম আপডেট: ২৭.০৭.২০২৬ ৯:৫৬ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক শীর্ষ পদে ভোটকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ভলকার তুর্ককে দ্বিতীয় মেয়াদে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে অনুমোদন দেওয়ার পর এই বিতর্কের শুরু হয়।

জাতিসংঘে হঠাৎ করেই কূটনৈতিক উত্তেজনায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স। সংস্থাটির মানবাধিকারবিষয়ক সর্বোচ্চ কর্মকর্তার পুনর্নিয়োগের ভোটাভুটিকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি অবস্থানে যায় দেশ দুইটি। জাতিসংঘের ওই ভোটের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দুই দেশের কর্মকর্তারা একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা ও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।

এ ভোটে ১৪৪টি দেশ তার পক্ষে ভোট দেয় এবং ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। ১০টি দেশ বিরুদ্ধে ভোট দেয়। তবে ওই ১০টি বিরোধী দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছিল। একইসঙ্গে এ তালিকায় ইসরায়েল, রাশিয়া ও আর্জেন্টিনাও রয়েছে।

এর মধ্যেই জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জেফ বার্টোস দাবি করেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থা ‘দশকের পর দশক ধরে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে’ এবং ভলকার তুর্ক এটিকে ‘মৃত্যুশয্যায়’ নিয়ে গেছেন।

এর জবাবে জেনেভায় জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন এক্সে যুক্তরাষ্ট্রের ওই বক্তব্য শেয়ার করে ওয়াশিংটনের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ফরাসি মিশন লিখেছে, ‘একসময় মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন আর নয়।’

তারা আরও দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্র এখন উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মতো দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। 

ফরাসি মিশন আরও লিখেছে, ‘এখন বিশ্ব আর যুক্তরাষ্ট্রের কথা শোনে না।’

এর জবাবে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ ফ্রান্সের মন্তব্যকে ‘লজ্জাজনক’ বলে আখ্যা দেন।

তিনি অভিযোগ করেন, সবচেয়ে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের প্রতি ফ্রান্স নমনীয় আচরণ করছে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েলের মতো ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে’ উপদেশ দিচ্ছে।

এরপর দুই পক্ষের বাকযুদ্ধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য র‌্যান্ডি ফাইন ফ্রান্সের সামরিক ইতিহাস নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, ‘আপনাদের কি আবার কারও কাছে আত্মসমর্পণ করার আছে?’ 

১৯৪০ সালে নাৎসি জার্মানির কাছে ফ্রান্সের আত্মসমর্পণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সূত্র : আনাদোলু

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  যুক্তরাষ্ট্র-ফ্রান্স বিরোধ   জাতিসংঘ মানবাধিকার   ভলকার তুর্ক   কূটনৈতিক উত্তেজনা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close