দেশের একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন ও অন্যান্য গ্রাহকের ওপর।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এ কথা জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘ত্রুটিপূর্ণ টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। কয়েকটি এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি ও জনদুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। কারিগরি বিশেষজ্ঞরা সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছেন।’
জাহেদ উর রহমান আও বলেন, ‘তাৎক্ষণিক সংকটের কারণ এফএসআরইউর ত্রুটি হলেও আমদানিকৃত এলএনজির ওপর বাড়তি নির্ভরতা পরিস্থিতির প্রভাব বাড়িয়েছে। আমদানি অবকাঠামোর কোনও একটি অংশে সমস্যা হলেই পুরো সরবরাহ ব্যবস্থা চাপে পড়ে।’
‘কমাতে পর্যায়ক্রমে ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একনেকে বেগমগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ এলাকায় ৭২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি কূপ খননের প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। স্থল ও সমুদ্রে অনশোর ও অফশোর মডেল পিএসসির আওতায় দরপত্র আহ্বান এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনার কার্যক্রমও চলছে।’
তিনি জানান, সরকার চতুর্থ এফএসআরইউ স্থাপনের দরপত্র, মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকে এলএনজি আমদানির সম্ভাব্যতা যাচাই, ভোলার গ্যাস মূল ভূখণ্ডে আনার বিকল্প, নতুন কূপ খনন ও পুরোনো কূপের ওয়ার্কওভার এবং জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে।
কেকে/এমএ