নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহিদ মাহমুদ প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে নীলফামারী সার্কিট হাউজ কবরস্থানে জানাজা ও দাফন শেষে তাকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়।
সাহিদ মাহমুদ বর্তমানে ৫ আগস্ট-পরবর্তী হত্যা, ভাঙচুরসহ একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রংপুর কারাগারে রয়েছেন। গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর রংপুর নগরীর একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাহিদ মাহমুদের মা রওশন আরা বেগম (৯০) সোমবার (৩ আগস্ট) বিকালে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় রংপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
মঙ্গলবার বাদ জোহর নীলফামারী ডাকবাংলা ঈদগাহ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সার্কিট হাউজ কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সাহিদ মাহমুদ জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত আবেগঘন বক্তব্য রাখেন।
জানাজায় বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
রওশন আরা বেগম জেলা শহরের থানাপাড়া এলাকার মরহুম আজিম উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, তার সন্তানদের মধ্যে বড় মেয়ে লায়লা আরজু মান্দ বানু নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, অপর মেয়ে খালেদা বেগম অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক। বড় ছেলে প্রয়াত ডা. রবিউল আলম চিকিৎসক ছিলেন। দ্বিতীয় ছেলে ডা. রেজাউল আলম চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ও একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক। তৃতীয় ছেলে ড. রুস্তম আহমেদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। সাহিদ মাহমুদ রাজনীতির পাশাপাশি একটি হিমাগারের চেয়ারম্যান এবং ছোট ছেলে তারিক মাহমুদ ঢাকার একটি বিদ্যুৎ কোম্পানিতে কর্মরত।
কেকে/ এমএস