সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী রেলওয়ে স্টেশনে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় প্রায় ছয় ঘন্টা পর ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গের রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঈশ্বরদী থেকে রিলিফ ট্রেনটি দুপুর দুই টায় ৪০ মিনিটে শহীদ এম মনসুর আলী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়। প্রায় ৪০ মিনিট উদ্ধারকাজ শেষে রিলিফ ট্রেনটি লাইনচ্যুত বগিটিকে টেনে জামতৈল স্টেশনে নিয়ে যায়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম সয়দাবাদ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেনটি লাইনচ্যুত বগিটিকে টেনে জামতৈল স্টেশনে নিয়ে গেছে। প্রায় ছয় ঘন্টা পর ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গের রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই মাত্র নীলসাগর ট্রেনটি শহীদ এম মনসুর আলী রেলওয়ে স্টেশন পার হয়ে ঈশ্বরদী দিকে রওনা হয়েছে।’
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার সদানন্দপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। একমাত্র রেললাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে অন্তত চারটি আন্তঃনগর ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে এবং শত শত যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগের পরিবহন কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ভূইয়াকে আহ্বায়ক করে পাঁচজনের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির বাকিরা হলেন পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের প্রকৌশলী-২ নাজিব কায়সার, পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের যান্ত্রিক প্রকৌশলী (ক্যারেজ) রবিউল ইসলাম (লোকো) শেখ আসিফ আহমেদ, পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (টেলিকম) আহমেদ ইশতিয়াক জহর তানিম।
কেকে/এমএ