ঢাকা সাউথ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড তথা কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বিশেষ মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকালে কামরাঙ্গীরচর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান।
বৃক্ষরোপণকে দল-মতের ঊর্ধ্বে রেখে পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানে আবদুস সালাম বলেন,‘ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি চারা রোপণের পরিকল্পনা সফল করার লক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।’
‘গাছ কোনো দলের সম্পদ নয়। যে-ই গাছ লাগাক, এর সুফল পাবে পুরো দেশ ও সমাজ। গাছ মানুষের আরেকটি প্রাণ। গাছ থেকেই মানুষ অক্সিজেন পায়। যানবাহনসহ বিভিন্ন উৎস থেকে তৈরি হওয়া কার্বন ডাই-অক্সাইড ও দূষিত বায়ু গাছ শোষণ করে। কিন্তু গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ঢাকার বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে। বায়ুদূষণের কারণে মানুষের নানা ধরনের অসুস্থতা বাড়ছে, হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই নিজের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থতার জন্যও বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। প্রতিটি মানুষ একটি করে গাছ লাগালে এর সুফল পুরো সমাজ পাবে।’
কামরাঙ্গীরচরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসক বলেন, ‘প্রতিটি স্কুলে গাছ লাগানো হলে পুরো এলাকা সবুজে ভরে উঠবে। শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানোর পাশাপাশি এর পরিচর্যা ও সুরক্ষার দায়িত্বও নিতে হবে।’
‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কামরাঙ্গীরচরের বিভিন্ন উন্নয়নকাজ শুরু হয়েছে। রাস্তাঘাট, মাঠ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ চলছে। সব সমস্যা কয়েক মাসে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে ধাপে ধাপে সমস্যাগুলোর সমাধান করা হবে।’
মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, ‘বাড়ি বা আশপাশে তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকলে সেখানে মশার লার্ভা জন্মাতে পারে। তাই মশার ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি নিজেদের জায়গায় পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়েও নাগরিকদের সচেতন হতে হবে।’
অনুষ্ঠানে কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাইম উপস্থিত ছিলেন।
কেকে/এমএ