জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় ট্রাইব্যুনালে একটি ফোনালাপ শোনানো হয়েছে। ফোনালাপে যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশকে মিছিলে সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিতে শোনা যায় ওবায়দুল কাদেরকে। সেখানে যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কাকা, তুমি খালি বাইরে বাইরে থাকলে কেন?
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ উপস্থাপিত ফোনালাপটিতে এরপর ওবায়দুল কাদেরকে শেখ পরশ বলেন, না, আমি আছি তো। আমি বাইরে থাকলেও সার্বক্ষণিক প্রতিটা ঘণ্টায় আমি আপনাদের সঙ্গে আছি।
এরপর ওবায়দুল কাদের পরশের বাইরে থাকা নিয়ে ইতস্তত করলে পরশ বলেন, ‘আপনি জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। আমি তো অনেক আগে গেছি। আমি গেছি ২৫ তারিখ। কিন্তু তারপরে প্রত্যেকটা দিন আমি আপনাদের সঙ্গে ছিলাম।’
এরপর ওবায়দুল কাদের তাকে মিছিলে অধিকসংখ্যক উপস্থিতির জন্য বলেন, ‘ফিজিক্যালি থাকাটা.....কালকের র্যালিতে ম্যাক্সিমাম যেন প্রেজেন্স থাকে।’
এর উত্তরে পরশ বলেন, ‘হ্যাঁ। আমরা এটা প্রস্তুতি নিচ্ছি। জি, অবশ্যই।’ এর জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সে জন্য তোমাকে ফোন করি।’
শেষে শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন,‘ না, না। থ্যাংক ইউ। ঠিক আছে। জি, আমি ফোন দিচ্ছি সব জায়গায়। জি, জি, জি, চাচা। আসসালামু আলাইকুম।’
ওবায়দুল কাদের ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন—কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
কেকে/এলএ