সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ২৬২ নম্বর পেয়ে কক্সবাজার জেলায় সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করে প্রথম স্থান অধিকার করেছে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের মেধাবী শিক্ষার্থী মুনতাকা সোয়াইবা।
একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের সেরা ২০ মেধাবী শিক্ষার্থীর তালিকায় ১২তম স্থান অর্জন করেছে সে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিভাগীয় মেধাক্রমে তার অবস্থান ৯ম।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ। ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলেও তার প্রতিফলন ঘটেছে।
মুনতাকা সোয়াইবা ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠে পড়াশোনা করেছে। পড়াশোনার পাশাপাশি বেসরকারি বৃত্তি, বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায়ও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে সে।
মুনতাকার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে।
মুনতাকা সোয়াইবার বাবা ঈমাম হোছাইন ও মা উম্মে মোখলেছা খানম। তার মা চকরিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাদের বাড়ি চকরিয়া থানা সেন্টার এলাকার ভরামহুরীতে। মুনতাকা জেলার স্বনামধন্য আইনজীবী প্রয়াত অ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেনের ভাতিজি।
মুনতাকার বাবা ঈমাম হোছাইন বলেন, “তার এই অর্জনের পেছনে কঠোর পরিশ্রম, মেধা, অধ্যবসায় এবং সম্মানিত শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমাদের আদরের মুনতাকার জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন ভবিষ্যতেও সে তার মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে দেশ ও জাতির জন্য গর্ব বয়ে আনতে পারে।”
চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক নুরুল আখের বলেন, “চলতি এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ৭৭ শতাংশ পাসের হার নিয়েও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে উপজেলায় শীর্ষস্থানে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ৪০১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩১১ জন। আশা করি, আরও ভালো ফলাফলের মাধ্যমে এই ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয় হলো, বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী মুনতাকা সোয়াইবা ১ হাজার ২৬২ নম্বর পেয়ে জেলায় প্রথম এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বিভাগের সেরা ২০ মেধাবী শিক্ষার্থীর তালিকায় ১২তম স্থান অর্জন করেছে। তার এই সাফল্য ও কৃতিত্বে আমরা গর্বিত। আমি তার উত্তরোত্তর সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।”
কেকে/সাশ