মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয়দের তৎপরতায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালটির নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় অপারেশন থিয়েটারের পাশে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের প্রসিডিউর কক্ষে জন্মনিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নানা চিকিৎসা ও পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়। দুপুরে কক্ষের ভেতরে যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার কাজ চলছিল। এ সময় হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ পাইপ লিকেজ হয়ে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন কক্ষের দরজা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়লে পুরো হাসপাতাল জুড়ে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগী, সেবা প্রত্যাশী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত নিরাপদে বেরিয়ে আসেন।
এদিকে খবর পেয়ে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই হাসপাতালের কর্মী ও স্থানীয়দের সম্মিলিত চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
গজারিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।’
হাসপাতালে উপস্থিত রোগীর স্বজনরা জানান, দুর্ঘটনার সময় হাসপাতালে সেবা প্রত্যাশীদের ভিড় ছিল। দ্রুত আগুন নেভানো সম্ভব না হলে বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কা ছিল।
গজারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আজম উদ্দিন মাহমুদ জানান, গ্যাসের পাইপ লিকেজ থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটেছিল। উপস্থিত সকলের দ্রুত তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও প্রসিডিউর কক্ষের কাঠের একটি দরজা ও কিছু চিকিৎসাসরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে আপাতত ওই বিভাগের সেবা কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হতে পারে।
কেকে/ এমএস