বাবার মৃত্যুর পর হতাশা কাটিয়ে মাঠে নেমেছে লিওনেল মেসি। মাঠের খেলায় আবারও নিজেকে মেলে ধরেছেন। ফেরার দিনে করেছেন গোল ও অ্যাসিস্ট। তবু জেতাতে পারেননি দলকে। মেজর লিগ সকারের ম্যাচে ২-২ গোলের ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ইন্টার মিয়ামিকে।
সুবারু স্টেডিয়ামে মেসি-সুয়ারেজদের স্বাগত জানিয়েছিল ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন। ম্যাচের শুরুতেই ১১ মিনিটে ইন্ডিয়ানা ভাসিলেভের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় মিয়ামি। প্রায় ১০ মিনিট পর ড্যানিয়েল পিন্টারের গোলে সমতায় ফেরে তারা। সে গোলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল মেসির।
এরপর মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে নিজেই গোল করে মিয়ামিকে এগিয়ে দেন আর্জেন্টাইন তারকা। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের নিখুঁত বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন মেসি। ফলে ২-১ ব্যবধানে লিড নেয় ইন্টার মিয়ামি।
মেসি তার বাবা হোর্হে মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। কঠিন সময় পার করছিলেন। ক্লাবে ফেরার পর শুরুতে কিছুটা বিষণ্ণ থাকলেও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছেন। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষের ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্টের মাধ্যমে তার ছন্দে ফেরার প্রমাণ মিলল। তবে ৫৮ মিনিটে নীল পিয়েরের গোল মিয়ামির লিড শেষ করে দেয় এবং ম্যাচ ২-২ সমতায় পৌঁছে যায়।
ম্যাচের শেষদিকে উত্তেজনা আরো ছড়িয়ে পড়ে। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ায় ফিলাডেলফিয়ার কাভান সুলিভান এবং মিয়ামির ইয়ানিক ব্রাইট—দুজনকেই লাল কার্ড দেখান রেফারি।
চলতি এমএলএস মৌসুমে ১৭ ম্যাচে মেসির গোল এখন ১৩টি, আর অ্যাসিস্ট ৯টি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ছয় ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ছয় এবং অ্যাসিস্ট চারটি।
এ ম্যাচের আগে টানা তিন ম্যাচে হেরেছিল ইন্টার মিয়ামি। এর মধ্যে লিগস কাপে দুটি মেক্সিকান ক্লাবের বিপক্ষে পরাজয়ও ছিল। আর ন্যাশভিলের কাছে হারের মধ্য দিয়ে ৯ মে থেকে শুরু হওয়া এমএলএসে মিয়ামির সাত ম্যাচের অপরাজিত দৌড়ও থেমে যায়, যেখানে তাদের রেকর্ড ছিল ৬ জয় ও ১ ড্র।
কেকে/এআই