শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬,
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: হামের উপসর্গে পাঁচ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৭০      মুদি পণ্যের বাজার অস্থিরতা, বাড়ছে তেল-চিনি-ময়দা-ডিমের দাম      নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আবারও বন্যার আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ স্থগিত করল চীন      রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে মালয়েশিয়া      নভেম্বরে কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক যাবেন প্রধানমন্ত্রী      নেপাল সীমান্তে আবারও বন্যার শঙ্কা, চীনের জরুরি পদক্ষেপ      হিমবাহ ধসে নেপালে ভয়াবহ বন্যা, মৃত্যু ছাড়াল ৪৬৯      
দেশজুড়ে
কিশোরগঞ্জে সারের জন্য কৃষকের ছোটাছুটি, কোথাও সংকট-দাম বাড়তি
সাব্বির হোসেন, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫২ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

আমনের মৌসুম শুরু হয়েছে। বৃষ্টির পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় জেগে উঠছে চাষের জমি। কোথাও চলছে শেষ চাষ, কোথাও জমি সমান করার কাজ, আবার কোথাও বীজতলা থেকে চারা তুলে শুরু হয়েছে রোপণ। কৃষকের ব্যস্ততা বেড়েছে মাঠে। তবে আমন আবাদ শুরুর গুরুত্বপূর্ণ এ সময়ে প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরা বিপাকে পড়েছেন।

কৃষকদের অভিযোগ, এক বাজার থেকে আরেক বাজার ঘুরেও অনেক জায়গায় মিলছে না ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি। কোথাও অল্প পরিমাণ সার পাওয়া গেলেও গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। এতে একদিকে যেমন উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে সময়মতো সার প্রয়োগ করতে না পারায় আমনের ফলন নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।

অন্যদিকে জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, কিশোরগঞ্জে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। জেলায় সারের কোনো সংকট নেই। তাহলে সার যদি পর্যাপ্তই থাকে, কৃষকের হাতে প্রয়োজনের সময় তা পৌঁছাচ্ছে না কেন—এ প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।

এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে জেলার কয়েকটি উপজেলা ঘুরে পাওয়া গেছে মিশ্র চিত্র। করিমগঞ্জ, হোসেনপুর, অষ্টগ্রাম ও তাড়াইলের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকেরা সার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। কটিয়াদীরও কিছু এলাকায় সংকটের কথা জানিয়েছেন কৃষকেরা। তবে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার সব এলাকায় একই পরিস্থিতি নয়। বিশেষ করে পাকুন্দিয়ার নারান্দী, তারাকান্দি, মঠখোলা, পাটুয়াভাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় সার সরবরাহ তুলনামূলক স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা।

একই জেলার একই আমন মৌসুমে সারের এ ভিন্ন চিত্রই সরবরাহ, বরাদ্দ ও বিতরণব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

কোথাও সার নেই, কৃষকেরা ঘুরছেন বাজারে

করিমগঞ্জ উপজেলার জয়কা ইউনিয়নের বালিয়াবাড়ি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ জমিতে চলছে আমন চাষের প্রস্তুতি। কোথাও ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ করা হচ্ছে, কোথাও মই দেওয়া হচ্ছে। আবার অনেক কৃষক জমি প্রস্তুত করে অপেক্ষা করছেন চারা রোপণের উপযুক্ত সময়ের জন্য।

কিন্তু জমি প্রস্তুত থাকলেও প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে পারছেন না অনেক কৃষক। সার না পাওয়ায় কেউ কেউ রোপণ পিছিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা করছেন।

করিমগঞ্জ উপজেলার জয়কা ইউনিয়নের বালিয়াবাড়ি গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বীজতলার জন্য ইউরিয়া সার পেলেও রোপণের জমির জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। দুই দিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় সার খুঁজেছেন। দোকানে গেলে বিক্রেতারা সার নেই বলে জানাচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুই দিন ধরে সার খুঁজছি। দোকানে গেলে বলে সার নেই। এখন সার ছাড়াই জমি রোপণ করতে হবে।’

করিমগঞ্জের দেহুন্দা ইউনিয়নের খামার দেহুন্দা গ্রামের কৃষক সুরুজ মিয়াও কয়েকটি জায়গায় ঘুরে প্রয়োজনীয় সার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।

কটিয়াদীতে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র

কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামের কৃষক মো. সাদেক মিয়া বলেন, ‘জরুরি মুহূর্তে সার প্রয়োজন হলেও বাজারে কৃত্রিম সংকটের কারণে তা পাওয়া যাচ্ছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে আমন আবাদে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। সময়মতো সার না পেলে ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হবে।’

তার অভিযোগ, সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ কৃষকদের সমস্যা হচ্ছে।

অন্যদিকে একই উপজেলার ধুলদিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গচিহাটা গ্রামের কৃষক নুরুল বিন আজম বাবুও প্রয়োজনের সময় সার না পাওয়ার অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘আগে সার সহজে পাওয়া গেলেও এখন সংকট দেখা দিয়েছে। একসঙ্গে বেশি সার দেওয়া হচ্ছে না। ইউরিয়া ও ডিএপিসহ প্রয়োজনীয় সার না দিলে ধানের ফলন ও পরিচর্যা ব্যাহত হবে। কয়েকটি দোকানে গিয়েও সার পাওয়া যায়নি।’

তবে কটিয়াদীর পুরো উপজেলায় যে সারের সংকট রয়েছে, এমন চিত্র পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন এলাকা ও বাজার ঘুরে কোথাও কোথাও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে। ফলে পুরো উপজেলাকে এককভাবে ‘সার সংকটে’ থাকা উপজেলা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

করিমগঞ্জের বারঘরিয়া ইউনিয়নের চাতল বাজারে একটি সার বিক্রির দোকানে গিয়ে দেখা যায়, দোকানে অল্প পরিমাণ ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি রয়েছে।

দোকান থেকে জানানো হয়, ইউরিয়া বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৩৫ টাকা, ডিএপি ও টিএসপি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং এমওপি ২২ টাকা দরে।

অথচ দোকানে টাঙানো সরকারি মূল্য তালিকায় ইউরিয়ার দাম কেজি প্রতি ২৭ টাকা, টিএসপি ২৭ টাকা, ডিএপি ২১ টাকা এবং এমওপি ২০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। দোকানটিতে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় কয়েক ধরনের সার বাড়তি দামে বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। এতে কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

সার কিনতে আসা কয়েকজন কৃষক জানান, বাড়তি দাম দিয়েও সব সময় চাহিদা অনুযায়ী সার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে একদিকে তাদের অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হচ্ছে, অন্যদিকে সার সংগ্রহের জন্য একাধিক বাজারে ঘুরতে হচ্ছে।

ডিলার বলছেন, সরবরাহ কম

চাতল বাজারের খুচরা সার বিক্রেতা মো. খোকন মিয়া বলেন, ‘কৃষকের চাপ বাড়লেও তারা পর্যাপ্ত সার দিতে পারছেন না। আমরা ডিলারদের কাছ থেকে সার আনি। ডিলাররা পর্যাপ্ত সার দিচ্ছেন না।’

ডিলার বলছেন, ‘সরবরাহ কম।’ বলে জানান তিনি।

খুচরা বিক্রেতার এমন বক্তব্যের কারণে সার সরবরাহের কোন পর্যায়ে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কৃষি বিভাগ যদি পর্যাপ্ত মজুত থাকার কথা বলে, তাহলে মাঠপর্যায়ের বিক্রেতারা কেন পর্যাপ্ত সার পাচ্ছেন না—তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন কৃষকেরা।

অষ্টগ্রামেও সারের সংকটের অভিযোগ

অষ্টগ্রামের কৃষক সুজন বর্তমানে প্রায় ৭৫ শতাংশ জমিতে ঢেঁড়স, লাউ, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করছেন। তার অভিযোগ, প্রয়োজনের সময় সার সংগ্রহ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সারের কিছুটা সংকট রয়েছে। এখন সার খুব বেশি প্রয়োজন না হলেও পর্যাপ্ত সার পাওয়া যাচ্ছে না। সার কিনতে গিয়ে তাদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগে মৌসুমে ইউরিয়াসহ বিভিন্ন সার কেজিপ্রতি ২২ থেকে ৩০ টাকা দরে কিনেছেন। বর্তমানে একই ধরনের সার ৩৫ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত দরে কিনতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে।’

তাড়াইলে বরাদ্দ কমার অভিযোগ

তাড়াইল উপজেলার টান-সাচাইল ইউনিয়নের দামিখাঁড়ী গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, ‘এবার তিনি ৩০ শতাংশ জমিতে ধান চাষ করেছেন। বর্তমানে সারের সংকট রয়েছে। ডিলারের কাছে গেলেও পর্যাপ্ত সার পাওয়া যাচ্ছে না।এখনো সার কিনতে পারিনি। সার সংগ্রহের জন্য আবার যেতে হবে।’

তাড়াইলের মেসার্স শাহাবুদ্দিন মিয়ার ডিলার মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, ‘তাড়াইলে সারের সংকট ছিল। পরে কৃষি বিভাগের সমন্বয়ে কিছু সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। তবে সংকট একেবারে নেই—এমনটা বলা যাবে না।’

তিনি জানান, বরাদ্দ কম থাকায় সংকট তৈরি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে তাড়াইলে ৩৫৬ টন ইউরিয়া সার বরাদ্দ ছিল। এ বছর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৫০ টন। গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী কৃষকদের সার দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

তবে সরকারি মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। তার দাবি, কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মাস্টাররোলে কৃষকদের নাম লিখে সার দেওয়া হচ্ছে।

পাকুন্দিয়ায় চিত্র অনেকটাই স্বাভাবিক

জেলার অন্যতম কৃষিনির্ভর উপজেলা পাকুন্দিয়া। আমনের পাশাপাশি এ উপজেলায় ব্যাপকভাবে সবজি আবাদ হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এখানে সারের চাহিদাও বেশি।

তবে নারান্দী, তারাকান্দি, মঠখোলা, পাটুয়াভাঙ্গা এলাকাসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে পাওয়া গেছে ভিন্ন চিত্র। এসব এলাকার কৃষকেরা আমন ও সবজি চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সার বিক্রির দোকানেও অন্যান্য উপজেলার মতো তীব্র সংকটের চিত্র চোখে পড়েনি।

পাকুন্দিয়ার নারান্দী এলাকার কৃষক তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমন মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকেই বাজারের ডিলারের মাধ্যমে সার পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি।’

তারাকান্দি এলাকার কৃষক মালেক মিয়াও একই ধরনের কথা বলেন। তিনি জানান, তাদের এলাকায় সবজির চাষ বেশি। এখন পর্যন্ত সার সংকটে পড়েননি। প্রয়োজন অনুযায়ী বাজারে গেলে সার পাওয়া যাচ্ছে।

ফলে জেলার অন্য কয়েকটি এলাকার তুলনায় পাকুন্দিয়ার বিভিন্ন এলাকায় সারের সরবরাহ তুলনামূলক স্বাভাবিক রয়েছে।

কৃষি বিভাগের হিসাবে পর্যাপ্ত সার

কৃষকদের অভিযোগের বিপরীতে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাদিকুর রহমানের দাবি, কিশোরগঞ্জে পর্যাপ্ত সার রয়েছে।

তিনি জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় ৮৫ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭ শতাংশ জমিতে ইতোমধ্যে চারা রোপণ হয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে জেলায় ইউরিয়ার চাহিদা ৫৩ হাজার ৪১২ মেট্রিক টন, টিএসপি ১২ হাজার ১৬ মেট্রিক টন, ডিএপি ২৪ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন এবং এমওপি ১৮ হাজার ১৬৫ মেট্রিক টন।

জেলা কৃষি বিভাগের হিসাবে, চাহিদার বিপরীতে জেলায় পর্যাপ্ত সার রয়েছে। উপপরিচালক মো. সাদিকুর রহমান বলেন, ‘সারের কোনো সংকট নেই। তারপরও কৃষকেরা কেন সার পাচ্ছেন না, তা খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।’

সংকট কি সারে, নাকি সরবরাহ ব্যবস্থায়

মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে, কিশোরগঞ্জে সারের পরিস্থিতি একরকম নয়। কোনো কোনো উপজেলা ও এলাকায় কৃষকেরা প্রয়োজনের সময় সার না পাওয়ার অভিযোগ করছেন। কোথাও আবার সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। আবার পাকুন্দিয়া ও কটিয়াদীর কিছু এলাকায় সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার কথাও জানিয়েছেন কৃষকেরা।

বিশেষ করে তাড়াইলে গত বছরের তুলনায় ইউরিয়া বরাদ্দ কমে যাওয়ার তথ্য দিয়েছেন একজন ডিলার। অন্যদিকে জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় মোট চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত সার রয়েছে।

এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে—জেলায় যদি পর্যাপ্ত সার থাকে, তাহলে নির্দিষ্ট কিছু এলাকার কৃষকেরা কেন প্রয়োজনের সময় সার পাচ্ছেন না? সরবরাহের পথে কোথাও ঘাটতি তৈরি হচ্ছে কি না, বরাদ্দের সঙ্গে স্থানীয় চাহিদার সামঞ্জস্য রয়েছে কি না এবং সরকারি মূল্যে সার কৃষকের হাতে পৌঁছাচ্ছে কি না—এসব বিষয় এখন গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

কারণ আমন মৌসুমে সময়মতো জমিতে সার প্রয়োগ করতে না পারলে শুধু কৃষকের উৎপাদন খরচই বাড়বে না, ফসলের ফলনেও এর প্রভাব পড়তে পারে। তাই জেলার একেক এলাকায় সারের একেক ধরনের চিত্র কেন—তার সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে বের করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াই এখন কৃষকদের প্রধান দাবি।

কেকে/এআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  কিশোরগঞ্জ   সার সংকট   কৃষক  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close