বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম (এনআইসিটিএফ)।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো ফোরামের ভারপাপ্ত সভাপতি প্রফেসর শাহ জে মিয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘১ সেপ্টেম্বর-বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিএনপি। স্বাধীনতা-পরবর্তী যখন একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের জাতীয়তাবাদী চেতনা নানা প্রশ্ন, সংকট ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি, যখন মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা অন্ধকারে আচ্ছন্ন ঠিক সেই সময়ে বাংলাদেশের নিজস্ব জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারকে ধারণ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় বিএনপি।’
‘প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নানা প্রতিকূলতা, ষড়যন্ত্র, নিপীড়ন, প্রতিবন্ধকতা ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিএনপি বাংলাদেশের মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছে। দীর্ঘ ৪৮ বছরের পথচলায় দলটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের নানা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অংশীদার হয়েছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী চেতনা কোনো বিভাজনের দর্শন নয়; বরং এটি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানুষের মর্যাদা, অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়। সেই চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তার দীর্ঘ পথচলা অব্যাহত রেখেছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএনপির সব পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আজকের এই দিনে আমাদের প্রত্যাশা-জাতীয়তাবাদী চেতনার শক্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাব।’
‘বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের তরুণ প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক, উদ্ভাবনী ও ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম তার ভূমিকা অব্যাহত রাখবে-এটাই আমাদের অঙ্গীকার। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকুক। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। জাতীয়তাবাদী চেতনা আরও শক্তিশালী হোক।’
কেকে/এমএ