জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় দুই ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সৎ মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিয়েছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম। এ সময় তার হাতে হাতকড়া ছিল।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাশেদুল ইসলামের হাতকড়া পরা অবস্থায় জানাজায় অংশ নেওয়ার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
রাশেদুল ইসলাম ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের চৌমুনী বাজার এলাকার ধনতলা গ্রামের প্রয়াত শামসুদ্দীনের ছেলে। তিনি জয়পুরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া নাশকতার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে গত ২২ আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, স্ট্রোকজনিত কারণে রাশেদুল ইসলামের সৎ মা রহিমা বিবি (৯৫) মারা যান। পরিবারের কাছে তিনি ‘বড় মা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার জানাজা ও দাফনে অংশ নেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে রাশেদুলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত সময়ের জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেওয়া হয়। মঙ্গলবার পুলিশি প্রহরায় তিনি প্রথমে নিজ বাড়িতে যান। সেখানে হাতকড়া পরা অবস্থায় বড় মায়ের মরদেহের পাশে কিছু সময় অবস্থান করেন। পরে একই অবস্থায় জানাজা ও দাফনে অংশ নেন। দাফন শেষে পুলিশ তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জয়পুরহাট কারাগারের জেলার তোফায়েল আহাম্মেদ খাঁন বলেন, ‘সৎ মায়ের মৃত্যুর কারণে রাশেদুল ইসলামকে দুই ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া দুইটায় তাঁকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। প্যারোলের সময় শেষ হলে বিকেল সোয়া চারটায় তাকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়।’
কেকে/এমএ