গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন-চরিত্র, ক্ষমাশীলতা, মহানুভবতা, হিলফুল ফুজুল ও হারবুল ফিজার, বিদায় হজ এবং এর অনুসরণীয় দিক সম্পর্কে আলোচনা করেন।
আলোচক ড. নকীব বলেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সম্মান দিয়ে মহানবী (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন; যার মধ্যে সকল গুণের সংমিশ্রণ ছিল। এক বিধর্মী অধ্যাপক মহানবী (সা.)-কে নিয়ে গবেষণা করতে আগ্রহী হয়ে দেখতে পান, তিনি অসাধারণ সত্যবাদিতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও অসীম মেধাশক্তির অধিকারী ছিলেন। রাসুলের জীবনের প্রতিটি অধ্যায় সকলের জন্য শিক্ষণীয় এবং অনুসরণীয়।’
তিনি বলেন, ‘আলোকিত মানুষের কথা বলা হয়, কিন্তু মহানবী (সা.)-এর দর্শন ছিল মানুষকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। বাংলাদেশের একজন কমিউনিস্ট লেখক বলছিলেন, নবী করিম (সা.) পৃথিবীতে আগমন না ঘটালে আজকের আধুনিক সভ্যতা হাজার বছর পিছিয়ে যেত।’
সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন করতে পেরেছি। এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজ করতে চাই।’
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্র সংসদের (গকসু) সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কেকে/ এমএস