ফরিদপুরের সালথা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের মাঠজুড়ে সবুজে ঘিরে আছে উফশি আমন ধান। প্রতিবছর এ অঞ্চলে তিনটি ফসল সমানতালে উৎপাদন হয়ে থাকে। পাট, পেঁয়াজ ও ধান। এ বছর গট্টি, ভাওয়াল রামকান্তপুর, আটঘর, সোনাপুর, মাঝারদিয়া, যদুনন্দী ও বল্লভদি ইউনিয়নে পাট কাটার পরেই আবাদ করা হয়েছে আমন ধানের।
জানা যায়, এ বছর উপজেলায় ১২ হাজার ২৯০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। তেল, সার ও কীটনাশকের দাম বেশি থাকায় অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে ধান চাষে। তারপরও ভালো উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছেন চাষিরা।
সরেজমিন দেখা যায়, বর্ষা মৌসুমে ফসলি মাঠে ধানের পরিচর্যা করছেন চাষিরা। আবার কেউ কেউ ধানে সার, সেচ ও কীটনাশক দিচ্ছেন। প্রখর রোদে পানিশূন্য হয়ে পড়েছে জমিতে।
উপজেলার কয়েকজন চাষি জানিয়েছেন, এ বছর তেল, সার ও কীটনাশকের দাম বেশি থাকায় ধান আবাদে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। ধান চাষে সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা পাচ্ছি না আমরা। তারপরও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভালো ফলনের আশা করছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল হাবীব আল আজাদ জনি বলেন, ‘সালথা উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১২ হাজার ২৯০ হেক্টর জমিতে উফশি আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ধানের পরিচর্যা চলছে। চাষিদের সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ফলন আশানুরুপ হবে।’
কেকে/এআই